তবে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৮ কিংবা ২৯ জুন হতে পারে ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। আর এ ঈদের ১০ দিন আগে থেকেই কোরবানিদাতার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত আমল ও সওয়াবের কাজ রয়েছে। তাই জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার পর থেকে কোরবানি সম্পাদনের আগ পর্যন্ত যে কাজগুলো থেকে বিরত থাকা সুন্নত-
> জিলহজ মাস আসার আগেই হাত ও পায়ের নখ কেটে পরিষ্কার করা।
.png)
> চুল, গোঁফ ও নাভির নিচের পশম কেটে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা।
হাদিসের দিকনির্দেশনা- হজরত উম্মে সালমা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ ( সা.) বলেছেন, ‘যখন তোমরা জিলহজ মাসের চাঁদ দেখতে পাবে আর তোমাদের কেউ কোরবানি করার ইচ্ছা করে তবে সে যেন চুল নখ কাটা থেকে বিরত থাকে। (মুসলিম, ইবনে হিব্বান)
হজরত উম্মে সালমা রাদিয়াল্লাহু আনহু আরও বর্ণনা করেছেন, নবীজি ( সা.) বলেছেন, ‘যখন জিলহজ-এর ১০ দিন আসে এবং তোমাদের কেউ কোরবানি করার নিয়ত করে; তখন সে যেন নিজের চুল ও চামড়ার কোনো অংশ না কাটে’। (মুসলিম)
হাদিসের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী ২৯ জিলকদ মোতাবেক ৩০ জুন সন্ধ্যার আগেই উল্লিখিত দিকনির্দেশনাগুলো মেনে চলা জরুরি। তাই জিলহজ মাস আসার আগে কোরবানিদাতার জন্য ঈদের দিন কোরবানি সম্পন্ন করার আগ পর্যন্ত হাত ও পায়ের নখ, মাথাসহ অন্যান্য অঙ্গের চুল কাটা থেকে বিরত থাকা। তাই যদি কারো নখ ও চুল কাটার প্রয়োজন হয় তবে জিলকদ মাসের শেষ দিন সন্ধ্যার আগে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে নেয়া জরুরি।
উল্লেখ্য, জিলহজ মাস আরবি হিজরি সনের সম্মানিত চার মাসের একটি। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহর বিধান ও গণনায় মাস ১২টি, আসমান ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তন্মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত।’ (সুরা তাওবা: ৩৬) এ আয়াতের ব্যাখ্যায় হাদিসে এসেছে, ওই চারটি সম্মানিত মাস হলো—জিলকদ, জিলহজ, মহররম ও রজব।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন উক্ত আমলগুলো করার তাওফিক দান করুন। আমিন।