ঢাকা,  বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ ধর্ম ]

শবে মেরাজের রাতে রাসুল (সা.) যে দোয়া বেশি পড়তেন

ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:২৫, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
শবে মেরাজের রাতে রাসুল (সা.) যে দোয়া বেশি পড়তেন
প্রতীকী ছবি

শবে মেরাজ ইসলামে বিশেষ ফজিলত ও তাৎপর্যপূর্ণ রাতের মধ্যে অন্যতম। মেরাজ অর্থ, আরোহণের মাধ্যম বা ঊর্ধ্ব ভ্রমণ। এ রাতে রাসুল (সা.) বায়তুল মুকাদ্দাস থেকে সাত আসমানের ওপর সিদরাতুল মুনতাহায় গমন এবং সেখান থেকে আবার বায়তুল মুকাদ্দাসে ফিরে আসেন।

এ রাতে রাসুল (সা.) আল্লাহ তায়ালার সাক্ষাৎ লাভ করেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের বিধান নিয়ে তিনি পৃথিবীতে ফিরে আসেন। শবে মেরাজের রাত মুসলমানদের কাছে খুবই পবিত্র।

কোরআনে কারিমে আল্লাহ বলেন, ‘পবিত্র ঐ সত্তা, যিনি তাঁর বান্দাকে রাতে মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসা পর্যন্ত ভ্রমণ করিয়েছেন। এর চারপাশ আমি বরকতময় করেছি, তাঁকে আমার নিদর্শন দেখানোর জন্য, তিনি সর্বশ্রোতা এবং সর্বদ্রষ্টা।’ (সুরা বনি ইসরাইল, আয়াত ১)

Advertisement

২৬ রজব দিবাগত রাতে পবিত্র মেরাজ সংঘটিত হয়। এ রাতে আল্লাহর রহমত কামনায় মুসলমানরা কোরআনখানি, জিকির-আজগার এবং ইবাদত-বন্দেগি করে থাকেন। মেরাজের রাতেই মুসলমানদের জন্য নামাজ ফরজ করা হয়। এ রাতেই প্রতিদিন পাঁচ বার নামাজ আদায় করার বিধান নিয়ে আসেন রাসুল (সা.)।

রাসুল (সা.) এ রাতে যে দোয়া করতেন তাতে রজব য় শাবান মাসের বরকত এবং পবিত্র রমজান পর্যন্ত হায়াত বৃদ্ধির আবেদন ফুটে ওঠে। তিনি এ দোয়া নিজে পড়তেন এবং মুসলিম উম্মাহকে পড়তে বলেছেন। দোয়াটি হলো- ‘আল্লাহুম্মা বারাকলানা ফি রাজাবা ওয়া শাবান, ওয়া বাল্লিগনা রামাদান।’ এর অর্থ, হে আল্লাহ আপনি রজব এবং শাবান মাসকে আমাদের জন্য বরকতময় করুন, আর আমাদেরকে রমজান মাস পর্যন্ত পৌঁছে দিন।’

এ বিষয়ে হজরত আলী (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, তোমরা এ রাত ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাও, দিনের বেলায় রোজা রাখ। কেননা, সূর্যাস্তের পর এদিন মহান আল্লাহ তাআলা দুনিয়ার আসমানে নেমে আসেন এবং আহ্বান করেন, কোনো ক্ষমাপ্রার্থী আছো কি? আমি ক্ষমা করব, কোনো রিজিকপ্রার্থী আছো কি? আমি রিজিক দেব, কোনো বিপদগ্রস্ত আছো? আমি উদ্ধার করব। এভাবে আল্লাহ তাআলা ভোর পর্যন্ত মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করে আহ্বান করতে থাকেন। (ইবনে মাজাহ, হাদিস নম্বর-১৩৮৪)।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এইচএন
ট্যাগ: শবে মেরাজ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!