ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

কু-কর্মের মহারাণী ডিজে নেহার রঙিন জগৎ, দেহ ব্যবসাই তার পুঁজি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৭:৪১, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১
কু-কর্মের মহারাণী ডিজে নেহার রঙিন জগৎ, দেহ ব্যবসাই তার পুঁজি
ফারজানা জামান নেহা। ছবি: সংগৃহীত

পোশাকে আভিজাত্যের ছাপ। সন্ধ্যা নামলেই ডিজে ও মদের পার্টিতে মেতে থাকেন তিনি। অশ্লীল নাচ আর শিশার পাইপ দিয়ে স্লো মোশনে ধোঁয়া ছাড়া যার নেশা। কখনও কখনও বিদেশি মদের বোতল নিয়ে ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায়ও প্রকাশ করেন। এছাড়া দামি গাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়ানো এই রমণী বাগে আনা ধনী পরিবারের তরুণ-তরুণীদের দিয়ে করান রমরমা দেহ ব্যবসা।

ফারজানা জামান নেহা ওরফে ডিজে নেহার লাইফস্টাইলের কিছু বিবরণ দেয়া হলো উপরে। এক কথায় ওয়েস্টার্ণ ধাঁচে চলাফেরা করা রূপের ঝলক দেখানো ডিজে নেহা নানান কুকর্ম ও অশ্লীলতার মধ্যেই ডুবে ছিল।

রাজধানীর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলার আসা ফারজানা জামান নেহা। এই মামলাটি তদন্তের স্বার্থে এই নেহাকে ৫ দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

Advertisement

নেহাকে জিজ্ঞাসাবাদে একে একে গা শিউরে ওঠার মতো তথ্য বেরিয়ে আসছে। জানা যাচ্ছে, তার অন্ধকার জগতের যতো অপকর্মের গোপন খবর। তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, কেবল ডিজে নেহা নয়, তার মতো এমন অনেক তরুণ-তরুণীই রয়েছে যাদের কর্মকাণ্ড একই রকমের, কেবল নামেই ভিন্ন।

বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান ফারজানা জামান নেহা। ব্যবসায়ী নুরুজ্জামানের মেয়ে নেহা বিজিএমইএ বিশ্ববিদ‌্যালয়ে পড়াশোনা করতো। প্রথম সেমিস্টার শেষ করলেও আপাতত পড়াশোনা বন্ধ আছে তার। দেশের বাইরে যাওয়ার লক্ষ‌্যে ব্রিটিশ কাউন্সিলে ভর্তির চেষ্টার করছে নেহা। গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরাতে হলেও ঢাকাতেই তার বেড়ে ওঠা।

রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগের মামলায় গ্রেফতার ফারজানা জামান নেহা। ছবি: সংগৃহীত

নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের নেহার টার্গেট ছিলো ধনী পরিবারের তরুণ-তরুণীরা। বিশেষ করে নামি দামি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দিকেই ছিল তার বিশেষ আকর্ষণ। তাদেরকে শিশা-মদ পার্টিদে দাওয়াত দিয়ে বেলাল্লাপনায় জড়াতেন তিনি।

অবৈধ মাদক কারবারীরা ডিজে নেহার পার্টিতে মদের সাপ্লাই দিতো। এমনকি তার সঙ্গে আবাসিক হোটেল ও রিসোর্টের সঙ্গে ভালো যোগাযোগ ছিল। টাকার বিনিময়ে তরুণী-তরুণীদের একান্তে মিলিত হওয়ার সুযোগ করে দিতো নেহা। তার মাঠ পর্যায়ের টিমে নামি দামি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় উশৃঙ্খল শিক্ষার্থী রয়েছে বলে জানা গেছে।

গত শুক্রবার নেহাকে ৫ দিনের রিমান্ডে আনে পুলিশ। সে জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিচ্ছে। পরিবার ও স্বামীর সঙ্গ দূরত্বের কারণে সে এমন অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ে। নেহার সঙ্গে আর কারা জড়িত তাদের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!