কৌশিক হোসেন তাপসের সঞ্চালনায় প্রাণবন্ত এ অনুষ্ঠানে গান ও কথায় করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগে সকলের প্রতি সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি প্রকৃতি ও জীবের প্রতি মানবিক হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে আলোচনায় চিত্রনায়িকা মিম জানান, শুটিং স্থগিত করে শুরু থেকেই তিনি সচেতন অবস্থান নিয়েছেন ঘরে থেকে। পরিবারকে সময় দেয়ার পাশাপাশি আত্মোন্নয়নমূলক বিভিন্ন কাজ করছেন নিয়মিত।
.png)
তিনি বলেন, করোনাভাইরাস যেন ছড়িয়ে না পড়ে সবাইকে ঘরে থাকার আহ্বান জানাই। আমার মনে হয়, বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতিতে করোনার ‘মেডিসিন’ হলো বাসায় থাকা। পরিবার ও নিজের সুস্থতা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি নিয়মগুলো মেনে চলা।
চিত্রনায়ক সাইমন বলেন, নিজের পরিবার, দেশ ও পুরো বিশ্বকে নিয়ে আতঙ্কিত আছি। এই মুহূর্তে আমাদের ঘরে থাকার বিকল্প নেই। পরিবার ও নিজেকে সময় দেয়ার পাশাপাশি সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করুন।
অন্যদিকে সংগীতশিল্পী প্রীতম, মিলা ও রাফার কণ্ঠে ফুটে ওঠে দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে অসহায় প্রাণীদের কথা। পৃথিবীব্যাপী লক ডাউন পরিস্থিতিতে অনেক হতাশার মাঝেও যে জলবায়ুতে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটছে তা তুলে ধরে শিল্পীরা বলেন, প্রকৃতির এই পরিবর্তন যেন আমরা ভুলে না যাই। মানুষ হিসেবে পরিবেশ নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন রাখার শিষ্টাচারগুলো পালন করি-এই দুর্যোগ আমাদের এ শিক্ষাই দেয়।
তারা বলেন, পশু-পাখিদের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস ছড়ায় এটা সত্য নয়। এটি গুজব। প্রথমদিকে এ ধরণের গুজব উঠলেও পরে তা মিথ্যে প্রমাণিত হয়েছে। সবাইকে অসহায় প্রাণীদের প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান জানাই।
কথার ফাঁকে ফাঁকে গান পরিবেশন করেন প্রত্যেক শিল্পীই। আলোচনায় উঠে আসে সংগীতাঙ্গন ও চলচ্চিত্রের ভবিষ্যত যাত্রার নানা সংকট ও সম্ভাবনার কথা।
জাতিসংঘের সহায়ক সংস্থা ইউএনডিপি ও দেশের বৃহত্তর মোবাইল নেটওয়ার্ক কোম্পানি রবি নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠান দুটিসহ গানবাংলা টেলিভিশনের ফেসবুক পেইজে প্রতিদিন উপভোগ করছেন দর্শকরা।
অনুষ্ঠানটিতে ইতিমধ্যেই অংশ নিয়েছেন প্রায় শতাধিক দেশিয় ও আন্তর্জাতিক তারকা শিল্পী। পুরো আয়োজনটির সম্প্রচার সমন্বয় করছেন সংগীতশিল্পী জুয়েল মোর্শেদ।