এরূপ দাবিতে ফেসবুকে প্রচারিত পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কাইভ) এবং এখানে (আর্কাইভ)।
এরূপ দাবিতে ইনস্টাগ্রামে প্রচারিত পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কাইভ)।
.png)
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, ‘১৯৬১ সালে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেন তৎকালীন জামায়াত নেতা গোলাম আযম’ শীর্ষক মন্তব্য করেননি জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। প্রকৃতপক্ষে, কোনোরকম নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই ডা. শফিকুর রহমানের নামে আলোচিত ভুয়া মন্তব্যটি প্রচার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত পোস্টগুলো পর্যবেক্ষণ করলে তাতে আলোচিত দাবির সপক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণের উল্লেখ পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করলেও আলোচিত দাবির সপক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি। প্রকৃতপক্ষে ডা. শফিকুর রহমান এরূপ কোনো মন্তব্য করে থাকলে তা গণমাধ্যম সূত্রে জানা যেত।
আলোচিত দাবির প্রেক্ষাপটের বিষয়ে অনুসন্ধানে নানা সার্কাজম পেজে রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সম্প্রতি জ্বালানি প্রবেশ করানোর ঘটনার প্রেক্ষিতে জামায়াত আমীর ও গোলাম আজমকে জড়িয়ে এরূপ নানা ভিত্তিহীন দাবি প্রচার হতে দেখা যায়। এসব পোস্টে গোলাম আজমকে রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবে জামায়াত আমীর উল্লেখ করেছেন এরূপ ভিত্তিহীন দাবি সার্কাজম আকারে প্রচার করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, নানা গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের উদ্যোগের শুরুটা ১৯৬১ সালে। সেসময় পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে পদ্মা নদী তীরবর্তী পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয় তৎকালীন পাকিস্তান সরকার। পরে নানা সীমাবদ্ধতায় রূপপুরে জমি অধিগ্রহণের কয়েক বছর পর প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়। তবে তাতে গোলাম আজমের নামের উল্লেখ পাওয়া যায়নি।
সুতরাং, ‘১৯৬১ সালে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেন তৎকালীন জামায়াত নেতা গোলাম আযম’ বলে মন্তব্য করেছেন ডা. শফিকুর রহমান শীর্ষক দাবিটি মিথ্যা।