অপচয় কমছে ওয়াসার, সুফল পাচ্ছে নগরবাসী
‘ঢাকা ওয়াটার সাপ্লাই নেটওয়ার্ক ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (ডিডব্লিএসএনআইপি) প্রকল্পের সুফল এরই মধ্যে পেতে শুরু করেছে রাজধানীবাসী। নগরবাসীকে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে ২০১৬ সালে এ প্রকল্পের অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে মাঠ পর্যায়ে ডিডব্লিএসএনআইপি প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। বর্তমানে এ প্রকল্পের কিছু কাজ বাকী রয়েছে। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ১৮২ কোটি ৩০ লাখ টাকা।
প্রকল্পের উপকারভোগী দক্ষিণখান এলাকার শিউলি বেগম বলেন, এক বছর আগে পানি সরবরাহে নতুন পাইপ স্থাপন করেছে ওয়াসা। এই পাইপ বসানোর পর মহল্লার সবাই বিশুদ্ধ পানি পাচ্ছে।
বংশালের কাজী আলাউদ্দিন রোড ওয়াসার মডস জোন-২ এর আওতাধীন। সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, এই রোডে নাজিরা বাজার বড় মসজিদের সামনে পাইপ স্থাপনের কাজ করছেন ওয়াসার লোকজন। এবং বড় পাইপ থেকে আশপাশের গলিতে যেসব পাইপ ঢুকছে সেগুলোতে সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। আর প্রতিটি বাড়িতে লাগানো হচ্ছে ডিজিটাল মিটার। এসব মিটারে ওয়াসার বিল উঠবে।
ওয়াসার মডস জোন-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী ফিরোজ আলম জানান, মাঠ পর্যায়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে তার জোন থেকে সব সময়ই খোঁজ-খবর রাখছেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ঢাকার মানুষ উপকৃত হবে।
এই প্রকল্পের আওতায় ঢাকা শহরের ৩৯ হাজার বাড়িতে এরই মধ্যে ‘এইচডিপিই পাইপ’ স্থাপন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আরো ১০টি নতুন গভীর নলকূপ স্থাপন এবং সংস্কার করা হচ্ছে ৭৫টি পুরনো গভীর নলকূপ।
ঢাকা ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ঢাকায় পানির দৈনিক চাহিদা কমবেশি ২৫০ কোটি লিটার। এর বিপরীতে ঢাকা ওয়াসা দৈনিক ২৬০ কোটি লিটার পানি উৎপাদন করার দাবি করে।