ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ বাজার দর ]

আগের দামেই মাছ-মুরগি-ডিম, চালের বাজার চড়া

অর্থনীতি প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৪:১২, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪
আগের দামেই মাছ-মুরগি-ডিম, চালের বাজার চড়া
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বাজারে পেঁয়াজ, পেঁপে এবং টমেটোর দাম কিছুটা কমেছে। এতে সস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মাঝে। তবে অপরিবর্তিত অন্যান্য সবজির দাম। এছাড়া মাছ, মুরগি ও ডিমের দাম সহনশীল হলেও আগের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে চাল এবং আলু।

বুধবার রাজধানীর শেওড়াপাড়া, মতিঝিল, হাতিরপুল, কারওয়ান বাজারসহ অন্যান্য বাজার ঘুরে ও ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, টমেটো কেজিতে ১০ টাকা কমে ১০০ টাকা ও পেঁপে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা, দেশি গাজর ১০০, চায়না গাজর ১৫০ টাকা, মানভেদে বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। করলা ৬০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, ঢেঁড়শ, চিচিঙ্গা, পটল, ধুন্দল, বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লেবুর হালি ১০ থেকে ২০ টাকা, ধনে পাতার কেজি ১০০ টাকা, কলার হালি ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা। এছাড়া লাল শাক ১৫ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৪০ টাকা, মুলা শাক ১৫ টাকা, পালং শাক ১৫ থেকে ২০ টাকা, কলমি শাক ১০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

Advertisement

বাজারে অনেকদিন পরে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ১০ টাকা কমেছে। আজ বাজারে পেঁয়াজ ১০০ টাকা কেজি ধরে বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে আলু মানভেদে কেজিপ্রতি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকা, সোনালি মুরগি ২২০ থেকে ২৩০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫০০ টাকা থেকে ৫২০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ টাকায়। হাঁসের ডিমের ডজন ১৮০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের হালি ৮৫ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকা, মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, ছাগলের মাংস কেজিপ্রতি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  

চালের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মোটা চাল ৫৬ টাকা, মিনিকেট ৭২ টাকা, আটাশ চাল ৫৮ টাকা, লাল বোরো ধানের চাল ৯০ টাকা, সুগন্ধী চিনিগুড়া পোলাও চাল ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছের কেজি ৯০০ টাকা থেকে এক হাজার টাকা, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রামের মাছ এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চাষের শিং মাছের কেজি (আকারভেদে) ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা, রুইয়ের দাম কেজিতে বেড়ে (আকারভেদে) ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি মাগুর ৮০০ থেকে এক হাজার ১০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাঙাশ ২১০ থেকে ২৩০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায়, বোয়াল ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা, কাতল ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, পোয়া ৪৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ টাকা, কই ২২০ থেকে ২৪০ টাকা, মলা ৬০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১ হাজার ৩০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি ৫০০ টাকা, পাঁচমিশালি ২২০ টাকা, রূপচাঁদা ১ হাজার ২০০ টাকা, বাইম ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা, দেশি কই ১ হাজার ২০০ টাকা, শোল ৬০০ থেকে ৯০০ টাকা, আইড় ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা, বেলে ৯০০ টাকা এবং কাইক্ক্যা ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে পাঁচ কেজি সয়াবিন তেল ৮১৮ টাকা, দেশি মসুর ডালের কেজি ১৪০ টাকা, রসুন ২২০ টাকা এবং আদা ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

কারওরান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে ভারতীয় জিরা কেজিপ্রতি প্রায় ৬৮০ টাকা, শাহী জিরা এক হাজার ১০ টাকা থেকে এক হাজার ২৫০ টাকা, মিষ্টি জিরা ২৪০ টাকা, পাঁচফোড়ন ২০০ টাকা, রাঁধুনী ৫০০ টাকা, মেথি ১৫০ টাকা, চিনাবাদাম ১৬০ টাকা, কাজু বাদাম এক হাজার ৫০ থেকে এক হাজার ২৫০ টাকা, পেস্তা বাদাম দুই হাজার ৭৫০ টাকা, ত্রিফলা ১৫০ টাকা, জয়ফল ৮০০ টাকা, তেজপাতা ১২০ টাকা, সাদা গোলমরিচ ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে এক হাজার ৩০০ টাকা, গোলমরিচ এক হাজার টাকা, ধনিয়া ২৪০ টাকা, সরিষা ১০০ টাকা, কিসমিস ৫২০ থেকে ৫৪০ টাকা, এলাচ তিন হাজার  টাকা, কালো এলাচ ২ হাজার ৮০০ টাকা, লবঙ্গ ১ হাজার ৪৫০ টাকা, জয়ত্রি দুই হাজার ৯০০ টাকা, পোস্তদানা এক হাজার ৮০০ টাকা, আলুবোখারা ৪৬০ টাকা, দারুচিনি ৫০০ টাকা, খোলা হলুদের গুঁড়া ৪০০ টাকা, খোলা মরিচের গুঁড়া ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারভেদে মসলার দামে ভিন্নতা রয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!