শনিবার রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজি থেকে শুরু করে মুরগি, ডিম ও পাইকারি বিভিন্ন পণ্যের সরবরাহ বেড়েছে। এতে বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।
রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে পণ্যের মানভেদে প্রতি কেজি পটোল ৫০ থেকে ৬০, চিচিঙ্গা ও ঢেঁড়স ৫৫ থেকে ৬৫, মিষ্টিকুমড়া ৩৫ থেকে ৫০, বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চার দিন আগেও বেগুন বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকায়। কাঁচা মরিচ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা চার দিন আগেও ছিল ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা।
.png)
এ ছাড়া প্রতি কেজি শসা ৪৫ থেকে ৫৫, করলা ৭০ থেকে ৮০, গাজর ৬০ থেকে ৭০, বরবটি ৬০ থেকে ৭০, টমেটো ১৬০ থেকে ১৮০, কাঁকরোল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, প্রতি পিস কুমড়া ২৫ থেকে ৩০ এবং প্রতি পিস লাউ ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
এদিকে বাজারে সরবরাহ বাড়ায় মুরগির দামও কমেছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে বাজারে প্রতি ডজন ফার্মের মুরগির ডিম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা এবং দেশি রসুন কেজি ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া আমদানি করা রসুন কেজিপ্রতি ১৯০ থেকে ২০০ টাকায়, ছোট দানার মসুর ডাল কেজি ১৩৫ থেকে ১৪৫ টাকায় এবং বড় দানার মসুর ডাল কেজি ১১০ থেকে ১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কারওয়ান বাজার ক্ষুদ্র আড়তদার সমিতির সভাপতি মো. ওমর ফারুক বলেন, কারফিউ শিথিল হওয়াও ধীরে ধীরে জনজীবন স্বাভাবিক হচ্ছে। এতে সচল হচ্ছে যান চলাচলও। চলতি সপ্তাহে বাজার স্বাভাবিক হয়ে যাবে। এতে দাম আরো কিছুটা কমবে।
উত্তরা আজমপুর কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী মতিন মিয়া বলেন, আগে সরবরাহ কমে যাওয়ায় কাঁচা পণ্যের দাম কিছুটা বেশি ছিল। সরবরাহ আরো বাড়লে সামনের দিনগুলোতে সবজির দাম কিছুটা কমে আসবে। তবে পেঁয়াজ ও আলুর সরবরাহ তুলনামূলক কম।
মিরপুর ১০ নম্বরে বাজার করতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী রাকিব হোসেন। তিনি বলেন, সবজিসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম কিছুটা কমেছে। তবে ১০ দিন আগের মতো দামে এখনো ফেরেনি। আশা করছি, এ সপ্তাহেই পণ্যের দাম আরো কমবে।