ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ বাজার দর ]

পেঁয়াজের দামে সেঞ্চুরি, মরিচের কেজি ৪০০

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৫৩, ৩০ জুন ২০২৪
পেঁয়াজের দামে সেঞ্চুরি, মরিচের কেজি ৪০০
ফাইল ফটো

রাজধানীসহ সারাদেশে নিত্যপণ্যের দাম দিনদিন বেড়েই চলেছে। একটি পণ্যের দাম কিছুটা কমলেও অন্য পণ্যের দাম বাড়ে কয়েকগুণ। এই বাড়া-কমার মধ্যেই রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ঠেকেছে ১০০ টাকায়।  এছাড়া আলু ৫ টাকা বেড়ে ৬৫ টাকা ও কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা কেজি দরে। বাজারে আরো কিছু নিত্যপণ্যের দাম এখনো চড়া।

রোববার রাজধানীর উত্তরা, মিরপুর, মালিবাগ, মোহাম্মদপুর, মগবাজারসহ বেশ কয়েকটি পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, এসব বাজারে গত সপ্তাহে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়। এক সপ্তাহ ব্যবধানে তা ১০-১৫ টাকা বেড়েছে। খুচরা দোকানে বাছাই করা ও সাইজে বড় পেঁয়াজ এখন ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সাধারণ মানের পেঁয়াজ ৯৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। বাজারে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের সরবরাহ কম। এই পেঁয়াজও বিক্রি হচ্ছে একই দামে।

Advertisement

উত্তরা কুশল সেন্টারের পেঁয়াজ বিক্রেতা রেজাউল হক বলেন, পেঁয়াজের মৌসুম (বাজারে দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ) যত শেষের দিকে যাচ্ছে, দাম তত বাড়ছে। আগামীতে এ দাম কোথায় গিয়ে ঠেকবে সেটা বলা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির সুযোগ কম। কারণ ভারত পেঁয়াজের ন্যূনতম রফতানিমূল্য ৫৫০ ডলার নির্ধারণ করে দিয়েছে। ওই দামে পেঁয়াজ আমদানি করলে শুল্ককরসহ দেশে আনতে প্রায় ৮০ টাকা খরচ হয়। যে কারণে ভারতের পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে না। এতে বাজার শুধু দেশি পেঁয়াজের ওপর নির্ভর করেই চলছে। এ কারণে দাম বেশি।

পাবেল হোসেন নামে আরেক বিক্রেতা বলেন, ৬০ টাকায় আলু বিক্রি করলে কোনো লাভ থাকে না। কারণ, পাইকারি কেনায় পড়ছে ৫৮ টাকা কেজি দরে। পাইকারি বাজারে আলুর দাম প্রায়ই ২/১ টাকা বাড়ছে। আসলে আলুর সংকট দেখা দেওয়ায় দাম বেড়েছে। মুন্সিগঞ্জ, রাজশাহী, রংপুরে আলুর খুব সংকট চলছে, পাওয়া যাচ্ছে না। এ বছর উৎপাদন কম হওয়ায় এ সমস্যা তৈরি হয়েছে।

এবার ঈদুল আজহার আগেই বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম। সেই দাম এখনো কমেনি। কোরবানির সময় ঢাকায় কাঁচা মরিচের কেজি ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। এখন সেটা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪০০-তে। বিক্রেতারা জানান, ঈদের সময় বৃষ্টি এবং ভারত থেকে আমদানি বন্ধ থাকায় কাঁচা মরিচের দাম অস্বাভাবিক বেড়েছে।

বাজারে বেশিরভাগ সবজি চড়া দামে আটকে রয়েছে। ৬০ টাকার নিচে মিলছে না কিছু। ওই দামের মধ্যে আছে পটল, ঢ্যাঁড়স, কাঁচা পেঁপে। কচুর লতি, বরবটি, কাঁকরোল বিক্রি হচ্ছে আরো ২০ টাকা বেশি দরে, অর্থাৎ ৮০ টাকা প্রতি কেজি। এছাড়া করলা ও বড় তালবেগুনের দাম ১০০ টাকা বা তার চেয়েও বেশি চাচ্ছেন বিক্রেতারা।

ভরা মৌসুমে বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়লেও দামে খুব একটা স্বস্তি দেখা যায়নি। আব্দুল্লাহপুর বাজারে ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম আকারের ইলিশ প্রতি কেজি ১০০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকা এবং এক কেজির ইলিশ ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা দাম হাঁকাচ্ছেন বিক্রেতারা।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!