শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন তথ্য জানা গেছে।
সরেজমিন দেখা গেছে, বাজারে ফার্মের মুরগির লাল ও সাদা ডিম প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা। হালি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। আর একটি ডিমের দাম নেয়া হচ্ছে ১৪ টাকা। এছাড়া প্রতি ডজন হাঁসের ডিম ২০০ টাকা ও দেশি মুরগির ডিম ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
.png)
ডিম কিনতে আসা এনায়েত মিয়া বলেন, মাছ, মাংস খাওয়ার সামর্থ্য নেই। ডিম খাওয়াও এখন দুরূহ হয়ে গেছে। এত দামে ডিম কেনা যায় না। প্রতিদিন নিরামিষ খেতে হচ্ছে।
বাজারের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় সবজি আলু। গত বছর থেকে আলুর দাম অস্বাভাবিকভাবে বেশি। এখন বাজারে প্রতি কেজি আলু ৬০ থেকে ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা কয়েকদিন আগেও ৫০ টাকা ছিল।
এদিকে ভারত থেকে আমদানির সুযোগ থাকলেও দেশে প্রতিদিন বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। গত এক সপ্তাহে কেজিতে ১৫ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৮০ থেকে ৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ৭০ টাকা ছিল।
পেঁয়াজ বিক্রেতা সিরাজুল ইসলাম বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির সুযোগ থাকলেও ঐ দেশ ন্যূনতম রফতানিমূল্য ৫৫০ ডলার নির্ধারণ করে দিয়েছে। শুল্ক-করসহ এ পেঁয়াজ দেশে আনতে ৬৪ থেকে ৬৫ টাকা খরচ হয়। এ কারণে কেউ পেঁয়াজ আমদানি করছে না। এতে বাজার শুধু দেশি পেঁয়াজের ওপর নির্ভর করেই চলছে।
পেঁয়াজের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়তি আদা-রসুনের দামও। প্রতি কেজি আদা ও রসুন ২৪০ থেকে ২৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে বাজারে বিভিন্ন সবজিসহ তেল, চিনি ও আটার মতো অন্যান্য নিত্যপণ্য চড়া দামে আটকে রয়েছে।