বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।
মসলা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুই মাসের ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে এলাচির দাম। দুই মাস আগে প্রতি কেজি এলাচির দাম ছিল ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা। খুচরায় এখন তা বেড়ে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। এ হিসেবে গত বছরের তুলনায় এলাচির দাম বেড়েছে ৬০ শতাংশের বেশি।
.png)
বর্তমানে প্রতি কেজি জিরা ৬৫০ টাকা, লবঙ্গ ১৩৬০ টাকা, দারুচিনি ৩৭৫ টাকা, গোলমরিচ ৮০০ টাকা এবং জয়ত্রি ২৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
অস্থিরতা তৈরি হয়েছে ডিম ও মাংসের বাজারেও। কাঁচা মরিচের দামও ১৬০ টাকায় ঠেকেছে। এতে চাপে পড়েছে সাধারণ মানুষ। আগের মতোই বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি। সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে এখনও চড়া মাছের দাম।
হাতিরপুল বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ডিমের হালি হাফ সেঞ্চুরি ছুঁয়েছে। পাড়া- মহল্লার দোকানে ৫৫ টাকা হালি ডিম বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে। যা গত সপ্তাহে ছিল ৪৫ টাকা। আর দুই সপ্তাহ আগে ৪০ টাকা।
বাজারে সবজির দাম প্রায় তিন-চার সপ্তাহ ধরে চড়া। এক কেজি বেগুনের দাম এখন ১০০ থেকে ১২০ টাকা। কাকরোল-বরবটিরও ১০০ থেকে ১২০ টাকা। এমনকি সস্তা দামে পরিচিত পেঁপের কেজিও এখন ৮০ টাকা।
সবজির বাজার ছাড়াও বাড়তি উত্তাপ দেখা গেছে সব ধরনের মাছ, সোনালি মুরগি, পেঁয়াজ, আদা, রসুনের দামে। অন্যান্য পণ্যও চড়া দামে আটকে রয়েছে। এছাড়া প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে পেঁয়াজের দাম নতুন করে বাড়তে দেখা গেছে। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৭৫ টাকা, যা আগের চেয়ে ৫-১০ টাকা বেশি। এছাড়া আদা কিংবা রসুন ২২০ থেকে ২৪০ টাকার নিচে মিলছে না।
অন্যদিকে, ব্রয়লার মুরগির দামে ততটা হেরফের না হলেও সোনালি মুরগির দাম বেশ বেড়েছে। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০-৩৬০ টাকা। তবে ব্রয়লার ২২০-২৩০ টাকার মধ্যে কেনা যাচ্ছে।
গত সপ্তাহের মতো বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে মাছ-মাংস। রুই ৪০০ থেকে ৪২০ টাকা, কাতলা ৩২০ টাকা, কালবাউশ ২৮০ টাকা, তেলাপিয়া ২৫০ টাকা, পাবদা ৫৪০ টাকা। ইলিশের দাম প্রতি কেজি ১২০০-১৪০০ টাকা। ৭০০-৮০০ গ্রাম হলে ১৬০০-১৮০০ টাকা। পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৮০ টাকা, চাষের কই বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৮০ টাকা দরে। এছাড়া গরুর মাংস ৭৫০-৮০০ টাকা, খাসির মাংস প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১১০০-১২০০ টাকা।