বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।
শুনানির দিন ধার্যের জন্য চেম্বার আদালতে আবেদন নিয়ে যান অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এম সাইফুল আলম।
.png)
সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে দেখা যায়, প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের রোববারের কার্যতালিকায় রাষ্ট্রপক্ষ ও দুই শিক্ষার্থীর করা দুটি লিভ টু আপিল শুনানির জন্য তিন নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার সরকারি চাকরিতে নিয়োগের কোটা বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী। তাদের আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক জানান, লিভ টু আপিলে হাইকোর্টের রায় বাতিল বা সংশোধন চাওয়া হয়েছে।
এর আগে, মঙ্গলবার সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা পুনর্বহাল করে হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এ আবেদন জমা দেওয়া হয়।
আবেদনে বলা হয়, সরকারি চাকরিতে কোটার বিধান রাখা সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং আদালত এই নীতিগত সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
এর আগে, ১৪ জুলাই হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় প্রকাশ করেন।
রায়ে বলা হয়, সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল করে ২০১৮ সালে জারি করা পরিপত্র আইনসম্মতভাবে জারি করা হয়নি। তাই এই পরিপত্রের কোনো আইনি প্রভাব নেই। এতে রায় এবং আদেশ অনুসরণ করে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান বা নাতনিদের জন্য কোটা পুনঃস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়।