শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক বিকেল ৩টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের প্রতিবেশি আত্মীয় বকুল হোসেন জানান, আমাদের মিম এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল তার মা বাড্ডা আইডিয়াল কলেজে ভর্তি করতে চেয়েছিল কিন্তু সেটা তার পছন্দ না। সে সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজে ভর্তি হতে চায়। এ নিয়ে মায়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটি একপর্যায়ে মায়ের উপর অভিমান করে তার নিজের রুমে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেয়। পরে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে নামিয়ে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
তিনি আরো বলেন, নিহতের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার আব্দুল জলিলের মেয়ে। বর্তমানে মেরুল বাড্ডার দক্ষিণ আনন্দ নগর ১ নম্বর লাইন ৬০ নম্বর টিন সেট ভাড়া বাসায় থাকতো তারা। দুই ভাই দুই বোনের মধ্যে সে ছিল বড়। বাবা বাড্ডা এলাকায় নিরাপত্তাকর্মীর কাজ করতো ও মা বাসা বাড়িতে কাজ করতো।
বাড্ডা থানার এসআই মোছা. ফাতেমা সিদ্দিকা সোমা জানান, আমরা খবর পেয়ে মুগদা হাসপাতাল থেকে তাকে উদ্ধার করি। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরো বলেন , মৃতা মিমের মায়ের সঙ্গে বাগ বিতন্দতার জেরে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। ময়নাতদন্ত শেষে প্রতিবেদন রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।