আসামির পক্ষে তার আইনজীবী জামিন আবেদন করলে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আহমেদ জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বুধবার উত্তরা পশ্চিম থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, গত ২৮ আগস্ট ধর্ষণের অভিযোগে জি সেন ও তার সহযোগী হীরা চাকমাকে রাজধানীর উত্তরা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়। এরপর মঙ্গলবার আসামি জি সেনের জামিন চেয়ে আবেদন করেন তার আইনজীবী।
.png)
ভুক্তভোগী কলেজ ছাত্রীর অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা দুজনে তাকে চীনে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। গত ২৭ আগস্ট তাকে ধর্ষণ করা হয়। এই মর্মে তিনি থানায় অভিযোগ করেন। পরে পুলিশ ২৮ আগস্ট রাতে উত্তরার ১৬ নম্বর সেক্টর থেকে চীনের ঐ নাগরিকসহ তার সহযোগীকে গ্রেফতার করে। শিক্ষার্থীকে চীনে নিয়ে যাওয়া এবং বিয়ে করবে বলে প্রলোভনও দেয়। ধর্ষণের শিকার ঐ ছাত্রী একটি সরকারি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করেন। পাশাপাশি বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে খণ্ডকালীন চাকরি করেন।
পুলিশ জানায়, চীনের নাগরিকের সহযোগী হীরা চাকমার সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে ঐ ছাত্রীর পরিচয় হয়। পরিচয় সূত্র ধরে ২৭ আগস্ট একটি কফি শপে ঐ ছাত্রীকে নিয়ে যায় তারা দুজন। এরপরই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।