রোববার তিনদিনের রিমান্ড শেষে মিশুকে আদালতে উপস্থিত করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আবেদন মঞ্জুর করে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাবেয়া বেগম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে গত ২৩ আগস্ট একই ম্যাজিস্ট্রেট তাকে তিনদিনের রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, সম্প্রতি ঐ কিশোরীকে বিবস্ত্র করে ছবি তুলে অনৈতিক কাজে বাধ্য করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে জোরপূর্বক নেশাদ্রব্য খাইয়ে ৫ তলা ভবনের ছাদ থেকে ফেলে দেন মিশু, তার স্বামী ও অজ্ঞাত কয়েকজন সহযোগী। গুরুতর আহত অবস্থায় সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসা দেওয়া হয় ঐ কিশোরীকে। শনিবার সে বাসায় ফেরে। এ ঘটনায় শনিবার কিশোরীর মা বাদী হয়ে মেহনাজ মিশু, তার স্বামী আতিকুর রহমান আতিক ও অজ্ঞাত ৬-৭ জনের বিরুদ্ধে সাভার থানায় মামলা করেন। মেহনাজ মিশুকে আটকের পর ‘শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে যুক্ত থাকার অভিযোগে’ শনিবার রাতে সংগঠন থেকে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।
.png)
মামলা দায়েরের পর দুপুরে সাভার উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন নিজ বাড়ি থেকে মেহনাজ মিশুকে গ্রেফতার করা হয়। বিকেলে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়। আদালত মিশু কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তাকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়। এদিন তার সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।