রোববার শুনানি শেষে এ নির্দেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের আদালত।
আসামিরা হলেন- ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহ-সভাপতি মো. হাসানুর রহমান ওরফে হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো.আব্দুল্লাহ আর রিয়াদ ও মমিনুল ইসলাম ওরফে জিসান, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফ বিল্লাহ, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহাদত হোসেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর।
.png)
এর আগে, ৬ ছাত্রদল নেতাকে আদালতে হাজির করেন ডিবি পুলিশের গুলশান জোনের এসআই মো. আসাদুজ্জামান। এরপর মমিনুল ইসলাম ও আরিফ বিল্লাহকে লালবাগ থানায় করা অস্ত্র মামলায় গ্রেফতার দেখানোসহ পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। এছাড়া আরিফ বিল্লাহসহ বাকি চার আসামিকে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়।
আদালত প্রথমে মমিনুল ইসলাম ও আরিফ বিল্লাহকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপর আসামিদের রিমান্ড ও জামিনের বিষয়ে শুনানি হয়। শুনানিকালে জিসান ও আরিফকে এজলাসে তোলা হয়।
লালবাগ থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার এসআই শওকত আকবর এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে, শনিবার রাজধানীর লালবাগ থেকে তিনটি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৩৬ রাউন্ড গুলিসহ ছাত্রদলের ছয় নেতাকর্মীকে আটক করে ডিবি পুলিশ। পরে তাদের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে দুটি মামলা করা হয়।