ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

অস্ত্র ও মাদক মামলায় আদালতে সম্রাটের হাজিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০:১৭, ৩ আগস্ট ২০২৩
অস্ত্র ও মাদক মামলায় আদালতে সম্রাটের হাজিরা
ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট- ফাইল ফটো

রাজধানীর রমনা থানার অস্ত্র ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের পৃথক দুই মামলায় আদালতে হাজিরা দিয়েছেন যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট।

বৃহস্পতিবার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ফায়সাল আতিক বিন কাদেরের আদালতে অস্ত্র এবং ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তেহসিন ইফতেখারের আদালতে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার চার্জ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন সম্রাট আদালতে উপস্থিত হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা দেন।

এরপর তার আইনজীবী আফরোজা শাহনাজ পারভীন হিরা দুই মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন। আবেদন মঞ্জুর করে ৮ অক্টোবর অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য নতুন দিন ধার্য করেন আদালত। 

Advertisement

এর আগে ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর র‌্যাব-১ এর ডিএডি আব্দুল খালেক বাদী হয়ে রমনা থানায় অস্ত্র আইন ও মাদক দ্রব্য আইনে পৃথক দুইটি মামলা করেন। ২০২০ সালের ৬ নভেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, সম্রাট রাজধানীর মতিঝিল, ফকিরাপুল, পল্টন, কাকরাইল এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করেন। আনুমানিক ১৯৫ কোটি টাকা এনামুল হক আরমানের সহায়তায় সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় পাচার করেন তিনি।

আসামিদের বিদেশ গমনের তথ্য পর্যালোচনা করে জানা যায়, সম্রাট ২০১১-২০১৯ সাল পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে ৩৫ বার, মালয়েশিয়ায় তিনবার, দুবাইয়ে দুবার এবং একবার হংকং ভ্রমণ করেন। একই সময়ে আরমান ২৩ বার ভ্রমণ করেন সিঙ্গাপুর।

২০১৯ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান শুরুর পর সম্রাটের নাম আসে। এরপর থেকেই তাকে নিয়ে শুরু হয় নানা গুঞ্জন। অভিযান শুরুর পর হাইপ্রোফাইল কয়েকজন গ্রেফতার হন। সম্রাটকে গ্রেফতারের জন্য তৎপরতা শুরু করেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

এরপর ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা সম্রাট ও আরমানকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে ঢাকায় এনে তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

ঐদিন দুপুর ২টার দিকে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে বাহিনীটির একটি দল কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে সম্রাটের কার্যালয়ে অভিযান শুরু করে। কার্যালয়ে অবৈধভাবে পশুর চামড়া রাখার দায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এছাড়া তার বিরুদ্ধে রমনা থানায় মাদক ও অস্ত্র আইনে দুইটি মামলা করা হয়। বর্তমানে সম্রাট জামিনে মুক্ত রয়েছেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!