রিমান্ডে নেয়া আসামিরা হলেন- আলিফ হোসাইন, রবিউল সানি, মেহেদী হাসান, মো. শাহজালাল, রফিকুল ইসলাম, নুর আলম ও সুমন মীর।
রোববার তাদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর আসামি হাবিব আহসান স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক দিতে সম্মত হওয়ায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোশাররফ হোসেন জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
.png)
অপরদিকে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে বাকি সাত আসামিকে সাতদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান সোহাগ উদ্দিনের আদালত তাদের চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আদালতে শাহজাহানপুর থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই শাহ আলম এসব তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে, শনিবার রাতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করে ডিবি মতিঝিল বিভাগ।
পুলিশ জানায়, এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবলীগ কর্মী অলিউল্লাহ রুবেলকে হত্যা করা হয়েছে। গ্রেফতার হাবিব ও শাহজালাল নামে দুই ব্যক্তি এ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী। স্থানীয় বাজার ও ফুটপাতের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে শাহজালালের সঙ্গে আধিপত্য কেন্দ্রিক বিস্তারের বিরোধ হয় রুবেলের।
উল্লেখ্য, গত ২০ জুলাই রাত সোয়া ১টার দিকে শাহজাহানপুরের গুলবাগ জোয়ারদার লেনে দুর্বৃত্তরা যুবলীগ কর্মী মোহাম্মদ অলিউল্লাহ রুবেলকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় অলিউল্লাহর স্ত্রী তানজিনা বাদী হয়ে শাহজাহানপুর থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।