তারা হলেন- মো. শাহাদাত হোসেন, মো. মোরশেদ হোসেন, মো. হামিদুল ইসলাম, সনেট সরকার, মেহেদী হাসান ও শাহজাহান কবির।
বুধবার রিমান্ড শেষে ৬ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. মেহেদী হাসান। এ সময় আসামিপক্ষ জামিন চেয়ে আবেদন করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকী আল ফারাবী জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
.png)
এর আগে, ১১ জুন ৬ আসামির দুইদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
মামলা থেকে জানা গেছে, গত ৯ জুন সন্ধ্যা ৭টার দিকে অপু রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী সনেট সরকার, মেহেদী হাসান ও শাহজাহান কবিরের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এরপর তারা অপুকে পাশের একটি ভবনের সাততলায় নিয়ে গিয়ে মারধর করে ছেড়ে দেয়।
পরবর্তীতে রাত ৮ টার দিকে বাকি আসামিরা বিষয়টি মীমাংসার কথা বলে অপুকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তারা অকথ্য ভাষায় গালাগালি করলে অপু তার প্রতিবাদ করে। একপর্যায়ে ভবনের লিফটের জন্য রাখা ফাঁকা জায়গা দিয়ে তাকে নিচে ফেলে দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় অপুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় গত ১০ জুন বাড্ডা থানায় হত্যা মামলা করেন নিহত অপুর বড় ভাই খোরশেদ।