মঙ্গলবার ঢাকার ৭ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তেহসিন ইফতেখারের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- রাশিদা বেগম (৩৯) ও মোছা. মোসুমী আক্তার (২৫)। রাশিদা বেগম শরীয়তপুরের ডামুড্যা থানার চর সিধলকুড়ার মৃত সিরাজ ওরফে ছিডু সরদারের মেয়ে। একই এলাকার চাঁন মিয়ার মেয়ে মৌসুমী আক্তার।
.png)
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তাদের আরো এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার আগে মৌসুমীকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে আবার কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। অপর আসামি রাশিদা বেগম উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ১৭ আগস্ট বিকেলে ডিবি পুলিশ রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার শনির আখড়ার ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাশিদা বেগম ও মোছা. মোসুমী আক্তারকে আটক করে।
ঐদিনই ৩ জনকে আসামি করে মামলা করেন পল্লবী জোনাল টিমের সাব- ইন্সপেক্টর মো. মুরাদুজ্জামান।
মামলাটি তদন্ত করে ঐ বছরের ১২ অক্টোবর রাশিদা বেগম ও মৌসুমী আক্তারকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী জোনাল টিমের আরেক সাব-ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ নোমান হোসেন।
এজাহারে থাকা আরেক আসামি মামুন আহম্মেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়। এরপর রাশিদা বেগম ও মৌসুমী আক্তারের বিরুদ্ধে গত বছরের ১২ অক্টোবর চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলার বিচার চলার সময় আদালত ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।