সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই ৫১টি মামলায় মোট আসামি ছিল ১৫১ জন। দণ্ডিত হয়েছেন ১৩১ জন। রায় হওয়ার আগেই কেন্দ্রীয় কারাগারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ১৮ জন। আর পলাতক অবস্থায় দুজন মারা যান।
এসব মামলার রায়ের পর চূড়ান্ত আপিল শুনানি শেষে ছয় আসামির ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। আর সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে মৃত্যুদণ্ডের দুই আসামির রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়া খালাস পেয়েছেন দুজন। বর্তমানে আপিল বিভাগে বিচারাধীন আছে ৪০টি মামলা। আর ট্রাইব্যুনালে চলছে ৩৫টি মামলার বিচারকাজ।
.png)
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মুখলেছুর রহমান বাদল এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, আমাদের ট্রাইব্যুনাল থেকে গত ১৩ বছরে ৫১টি রায় এসেছে। এটা বিচার বিভাগের একটি যুগান্তকারী অর্জন। এই অর্জনের ধারা অব্যাহত থাকবে। জার্মানির নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালে একটি মামলার বিচার শেষ হয়েছে গত নভেম্বরে। সব মিলিয়ে সময় লেগেছে ২৩ বছর। এ রায়ে এক আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে।
অ্যাডভোকেট মুখলেছুর রহমান বাদল আরো বলেন, আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও নিখুঁতভাবে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে বিচার হয়েছে। আমাদের রায়গুলো আন্তর্জাতিকভাবে চুলচেরা বিশ্লেষণ হচ্ছে। মামলাগুলো আইসিটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করছে। আমরা পুরোপুরি সফল।