বৃহস্পতিবার ডিবি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
ডিবিপ্রধান বলেন, ঐ জুয়েলার্সটির মালিক আরাভ খান ওরফে রবিউল ইসলাম সম্পর্কে সাকিব আল হাসানকে জানানো হয়েছিল। ডিবি থেকে নিষেধ করার পরও সাকিব ও হিরো আলম দুবাইয়ে গেছেন। তদন্তের প্রয়োজনে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। জুয়েলারির দোকানে কাদের বিনিয়োগ আছে সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।
.png)
তিনি আরো বলেন, আরাভ খান একজন খুনি, সে একজন মেধাবী পুলিশ কর্মকর্তাকে খুন করেছে। মিডিয়াতে ও অনেকের বলার পরেও সাকিবসহ অন্যান্য তারকা, খুনের মামলার আসামির ডাকে দুবাই গিয়েছেন। আমরা ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে আলাপ করে ইন্টারপোলের সহায়তায় আভ খানকে দেশে ফিরিয়ে এনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার সাকিব ঐ জুয়েলার্সের শোরুম উদ্বোধন করেন। ঐ জুয়েলার্সটির মালিক আরাভ খানের প্রকৃত নাম রবিউল ইসলাম। তিনি পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) পরিদর্শক মামুন এমরান খান হত্যা মামলার আসামি। দুবাই থেকে তাকে দেশে ফেরাতে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলে চিঠিও দিয়েছিল বাংলাদেশ পুলিশ।