রোববার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগের আট বিচারপতির বেঞ্চে এ আবেদন কার্যতালিকার এক নম্বরে রয়েছে।
নিহত ড. এস তাহের রাবি’র ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক। মামলা সূত্রে জানা গেছে, পদোন্নতি সংক্রান্ত বিষয়ের জের ধরে তাহেরকে হত্যা করা হয়।
.png)
গত ১৪ সেপ্টেম্বর তাহের হত্যা মামলায় তার সহকর্মী ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও বাসার কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর আলমের মৃত্যুদণ্ড বহালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
এর আগে, এই হত্যা মামলায় ২০০৮ সালের ২২ মে রাজশাহীর দ্রুত বিচার আদালত চারজনকে মৃত্যুদণ্ড ও দু’জনকে বেকসুর খালাস দেন। রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করা হলে ২০১৩ সালের ২১ এপ্রিল দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল এবং বাকি দুই আসামির দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন দেওয়া হয়।
এ রায়ের বিরুদ্ধেও আসামিরা আপিল করেন। পরে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন। পরে আসামিরা রিভিউ আবেদন করেন।
২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রাবির কোয়ার্টারের ম্যানহোল থেকে উদ্ধার করা হয় তাহেরের মরদেহ। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারি নিহতের ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ রাজশাহীর মতিহার থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।