ঢাকা,  শনিবার   ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

[ আইন-আদালত ]

মরিয়মের মৃত্যু: রাইদা বাসের চালক-সহকারী রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯:৫২, ১৪ নভেম্বর ২০২১
মরিয়মের মৃত্যু: রাইদা বাসের চালক-সহকারী রিমান্ডে
গ্রেফতার চালক ও তার সহকারী

রাজধানীর ভাটারার প্রগতি সরণিতে বাস থেকে ফেলে মরিয়ম আক্তার নামে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় রাইদা পরিবহনের গাড়িচালক মো. রাজু মিয়া ও তার সহকারী ইমরান হোসেনের দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম মাহমুদা আক্তারের আদালত এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) উপ-পরিদর্শক রনপ কুমার ভক্ত বিষয়টি জানিয়েছেন। 

এদিন দুই আসামি ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এরপর ভাটারা থানার সড়ক পরিবহন আইনের মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে  মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (নিরস্ত্র) হাসান পারভেজ তাদের সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাদের দুই দিন করে রিমান্ড মতো করেন। তবে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। 

গত শুক্রবার রাতে র‌্যাব টঙ্গী থেকে রাইদা পরিবহনের ওই বাসের চালক রাজু মিয়াকে (২৫) এবং আব্দুল্লাহপুর থেকে হেলপার ইমরান হোসেনকে (৩৩) গ্রেফতার করে।

জানা যায়, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মরিয়ম আক্তার ফুল বিক্রি করতো এবং হাতে আবেদন সংবলিত কাগজ নিয়ে পথচারী ও বাসযাত্রীদের কাছে আর্থিক সাহায্য চাইতো। খিলক্ষেত থানার কুড়াতলী এলাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকতো মরিয়ম। গত ৯ নভেম্বর ভোরে বাসা থেকে বের হয় মরিয়ম। এরপর প্রগতি সরণিতে ফুটপাতে ময়লার স্তূপ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য পেয়ে সড়ক পরিবহন আইনে একটি মামলা করেন তার বাবা প্রাইভেট কার চালক রনি মিয়া।

মামলার সূত্রে জানা যায়, প্রগতি সরণিতে রাইদা পরিবহনের একটি বাসে ওঠে মরিয়ম। হেলপার তাকে বাস থেকে নেমে যেতে বলেন। চালক বাসের গতি না কমিয়ে মরিয়মকে নামিয়ে দেন। এ সময় ছিটকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পায় শিশু মরিয়ম।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!