ঢাকা,  বৃহস্পতিবার   ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

মিরপুরে তরুণীকে ধর্ষণ: প্রতিবেদন ১৬ ফেব্রুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৫:৪৬, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২১
মিরপুরে তরুণীকে ধর্ষণ: প্রতিবেদন ১৬ ফেব্রুয়ারি
ছবি: প্রতীকী

রাজধানীর মিরপুরে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়ে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম নিভানা খায়ের জেসীর আদালত নতুন এ দিন ধার্য করেন।

গত ২০ নভেম্বর চার আসামি আসামি মো. ইমরান, জয় মিয়া, আল আমিন ও আবু সাঈদ স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার ইন্সপেক্টর সৈয়দ মোহাম্মদ আক্তার হোসেন তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন জানান। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

Advertisement

অন্যদিকে মামলা সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে দুই আসামি রায়হান ওরফে নাঈম ও মো. ইমন হোসেনের সাতদিন করে রিমান্ড নেয়ার জন্য আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাদের প্রত্যেকের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। বর্তমানে আসামিরা কারাগারে রয়েছে। 

মামলার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিমের সঙ্গে সাতমাস আগে আসামি রায়হান ওরফে নাঈম প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত এক মাস আগে ভিকটিমের বাবা বিষয়টি জানতে পেরে রায়হানের সঙ্গে কথা বলতে নিষেধ করে। এরপর গত ১৮ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭ টার দিকে ভিকটিম গার্মেন্টসে কর্মরত অবস্থায় আসামি রায়হান তাকে ফোনে কল দিয়ে দেখা করতে বলে। তারপর রাত ৮ টার দিকে গার্মেন্টস ছুটির পর বাসায় ফেরার পথে বমিরপুর এলাকায় আসামি রায়হান ও জয় মিয়ার সঙ্গে ভিকটিমের দেখা হয়। পরে জরুরি কথা আছে বলে আসামি রায়হান তার পেছনে হাটতে শুরু করেন। একপর্যায়ে আসামি রায়হান তার মুখ চেপে ধরে মিরপুর মডেল থানাধীন কল্যাণপুর হাউজ বিল্ডিং রিসার্চ ইন্সটিটিউটের ডিসপ্লে সেন্টারের পেছনে ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যায়। সেখানে আসামি আল আমিন, আবু সাঈদের সহযোগিতায় ইমরান ও রায়হান তাকে ধর্ষণ করে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরে মিরপুর ও দারুস সালাম থানা এলাকায় পৃথক অভিযানে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!