ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

কমলগঞ্জে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী পালিত

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি 
প্রকাশিত: ০৬:৫৬, ২৯ অক্টোবর ২০১৯
কমলগঞ্জে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী পালিত
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের ৪৮ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও ধলাই সীমান্ত বর্ডারগার্ডের উদ্যোগে তার স্মৃতিসৌধে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। এরপর মিলাদ মাহফিল হয়। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউএনও মো. আশেকুল হক, ইউপি চেয়ারম্যান পুস্প কুমার কানু, সমাজসেবক মোস্তফা কামাল, বর্ডারগার্ড সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর ভোরে কমলগঞ্জের মাধবপুর ইউপির ধলাই সীমান্তে লেফটেন্যান্ট কাইয়ুমের নেতৃত্বে একটি দল পাক সেনাদের ওপর সাঁড়াশি আক্রমণ চালায়। এতে অংশ নেয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ১২৫ মুক্তিযোদ্ধা। দুটি গ্রেনেড সফলভাবে মেশিনগান পোস্টে আঘাত হানে, কিন্তু তার পরপরই হামিদুর রহমান গুলিবিদ্ধ হন। পরে তার মরদেহ সীমান্তের অল্প দূরে ভারতীয় ভূখন্ডে ত্রিপুরা রাজ্যের হাতিমের ছড়া গ্রামের একটি পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। মাত্র ১৮ বছর বয়সে শহীদ হওয়া সিপাহী হামিদুর রহমান শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ। তিনি ঝিনাইদহের মহেশপুরের খোরদা খালিশপুর গ্রামের সন্তান।

Advertisement

২০০৭ সালের ২৭শে অক্টোবর বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই অনুযায়ী ২০০৭ সালের ১০ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ রাইফেলসের একটি দল ত্রিপুরা সীমান্তের আমপাশা থেকে হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ গ্রহণ করে। পরে যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে কুমিল্লার বিবিরহাট সীমান্ত দিয়ে শহীদের দেহাবশেষ দেশে নিয়ে আসা হয়। ১১ই ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে ঢাকার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!