চীনের সরকারি বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, চীনের রেনমিন বিশ্ববিদ্যালয় এবং উহান ইন্সটিটিউট অব ভাইরোলজি সম্বলিতভাবে খাদ্যনালীর মাধ্যমে এ ভাইরাস সংক্রমণের বিষয়টি বের করেছেন।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর প্রাথমিক উপসর্গ হিসেবে জ্বর, সর্দি, হাঁচি-কাশি দেখা দেয়। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে এ ভাইরাসে আক্রান্ত অনেকের মধ্যে এসব উপসর্গের কোনোটিই দেখা যায় না। ফলে, করোনাভাইরাস হয়েছে কিনা সেটা বুঝতে সময় লেগে যায়। করোনাভাইরাসে আক্রান্তের আরো কিছু লক্ষণ রয়েছে সেটি এতদিন বুঝতে পারেননি চিকিৎসকেরা।
.png)
সম্প্রতি এ সমস্যার সমাধানে কাজ করেছেন উল্লেখ্য দুই সংস্থার চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর মল এবং পায়ু থেকে নেয়া নমুনার পরীক্ষা করেছেন তারা। ফলে পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক উপসর্গ না থাকা রোগীদের শরীরেও এ ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা গেছে। এ পদ্ধতিতে তারা জানতে পারেন যে, এ ভাইরাসে আক্রান্ত কিছু রোগীর প্রাথমিক পর্যায়ে জ্বর না থাকলেও তাদের ডায়রিয়া হয়েছিলো। পরবর্তীতে বোঝা যায় যে, হাঁচি-কাশি নয় বরং খাবার গ্রহণের মাধ্যমেই করোনাভাইরাসের শিকার হয়েছেন এ সব রোগী।
এছাড়া প্রথমে জ্বর দেখা যায়নি এমন রোগীদের দেহে এ ভাইরাসের উপস্থিতি খুঁজে বের করতে তাদের শ্বাসতন্ত্র থেকে নমুনা নিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। নিউমোনিয়ার আক্রান্ত রোগীর শ্বাসতন্ত্র থেকে এ ভাবে নতুন নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ১০ থেকে ২০ শতাংশ রোগীর প্রথমে ডায়রিয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম যে ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া যায় তিনিও ডায়রিয়ায় শিকার হয়েছিলেন।
সূত্র- পার্সটুডে