ইরানে চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল কী?
ইরানকে চাপে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া কৌশল এবং এর তিনটি সম্ভাব্য লক্ষ্য তুলে ধরেছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
বেসেন্ট জানান, ইরান থেকে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশের বেশি বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে অংশ নেওয়া ইরানি প্রতিনিধিরা কীভাবে দেশে ফিরবেন, তা নিয়েও তিনি অনিশ্চয়তা প্রকাশ করেন।
.png)
ইরানের তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার খবর প্রসঙ্গে বেসেন্ট বলেন, বেশিরভাগ ট্যাংকার এখনো স্বাভাবিকভাবে চলাচল করছে।
ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সতর্ক করেছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি ও ব্যাংক হিসাবের বিরুদ্ধে প্রতিদিন ও প্রতি সপ্তাহে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মূল লক্ষ্য কী—এমন প্রশ্নের জবাবে বেসেন্ট তিনটি সম্ভাব্য ফলাফলের কথা উল্লেখ করেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমত, ইরানের শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে বিভাজন তৈরি হতে পারে। দ্বিতীয়ত, দেশটির জনগণের মধ্যে কোনো ধরনের গণঅভ্যুত্থান দেখা দিতে পারে। তৃতীয়ত, ইরান আলোচনায় বসে কোনো চুক্তিতে পৌঁছালে দেশটিকে সেই চুক্তি মেনে চলতে বাধ্য করা হতে পারে।
বেসেন্টের বক্তব্য অনুযায়ী, ওয়াশিংটন সামরিক পদক্ষেপ, অবরোধ ও অর্থনৈতিক চাপের সমন্বয়ে ইরানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে।