পাম ওয়েল রফতানিতে ইন্দোনেশিয়ার কড়াকড়ি
বিশ্বের বৃহত্তম পাম তেল উৎপাদন ও রফতানিকারক দেশ ইন্দোনেশিয়া তেল রফতানিতে কড়াকড়ি আরোপ করতে যাচ্ছে। ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে তেল রফতানিতে কড়াকাড়ি নিয়ম আরোপ করবে দেশটি।
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মূলত নিজ দেশের চাহিদা পূরণ করতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইন্দোনেশিয়ার সরকার।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, বর্তমানে পাম তেল উৎপাদনকারীরা ইন্দোনেশিয়ার অভ্যন্তরীণ বাজারে যে পরিমাণ তেল বিক্রি করে থাকেন তার আট গুণ রফতানি করতে পারেন। কিন্তু নতুন নিয়ম অনুযায়ী এটি ছয় গুণ করা হবে। মানে অভ্যন্তরীণ বাজারে ১ টন তেল বিক্রি করলে বিদেশে রফতানি করতে পারবেন ৬ টন।
ইন্দোনেশিয়ার মেরিটাইম অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা সেপ্তিয়ান হারিও সেতিও রয়টার্সকে বলেন, অভ্যন্তরীণ সরবরাহ নিশ্চিতে, বিশেষ করে বছরের প্রথম চার মাসের সরবরাহ ঠিক রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সেতিও জানান, অভ্যন্তরীণ বাজার পরিস্থিতি, ভোজ্য তেলের সরবরাহ ও দাম বিবেচনা করে পর্যায়ক্রমে রফতানির পরিমাণ বৃদ্ধি করা হবে।
এর আগে, ২০২২ সালের শুরুতে তেল রফতানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল ইন্দোনেশিয়া। দেশটিতে ভোজ্য তেলের দাম মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ায় এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।
এমনকি সাময়িক সময়ের জন্য ইন্দোনেশিয়া ভোজ্য তেল রফতানি নিষিদ্ধ করে দিয়েছিল। এর প্রভাবে তেলের আন্তর্জাতিক বাজারে টালমাটাল পরিস্থিতিরি সৃষ্টি হয়েছিল।
বর্তমানেপাম তেল রফতানিকারকদের ওপর কথিত ডমিস্টিক মার্কেট অবলিগেশন (ডিএমও) আরোপ করে রেখেছে ইন্দোনেশিয়ার সরকার। এটির আওতায় তেল উৎপাদক ও রফতানিকারকদের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ তেল অভ্যন্তরীণ বাজারে বিক্রি করতে হয়। এরপর তাদের রফতানির সুযোগ দেওয়া হয়।