বৃহস্পতিবার দুপুরে এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে (সিইও) চিঠি দিয়েছে বিটিআরসি।
চিঠিতে বলা হয়, গ্রাহকের কাছ থেকে পাওয়া অসংখ্য অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জানা যায়- দেশব্যাপী গ্রামীণফোনের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রাপ্তিতে বিঘ্নতার সৃষ্টি হচ্ছে। গ্রাহক সংখ্যা বিবেচনায় দেশের শীর্ষ মোবাইল অপারেটর হিসেবে গ্রামীণফোনের গ্রাহকরা মোবাইল নেটওয়ার্ক পেতে বাধাগ্রস্ত হওয়ায় তারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
.png)
চিঠিতে জাতীয় জরুরি অবস্থা বিবেচনায় গ্রামীণফোনের নেটওয়ার্ক বিপর্যয়ের সঠিক কারণ ব্যাখ্যাসহ অতি দ্রুত জানাতে বলা হয়। একই সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে দেশব্যাপী গ্রামীণফোনের নেটওয়ার্ক নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিকে সেবা বিচ্ছিন্ন হওয়ার প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর দুপুর ২টার দিক থেকে নেটওয়ার্ক স্বাভাবিক হয়।
গ্রামীণফোনের হেড অব কমিউনিকেশনস খায়রুল বাশার বলেন, অনিচ্ছাকৃত ফাইবার অপটিক ক্যাবল কেটে যাওয়ার ফলে আমাদের কিছু সংখ্যক গ্রাহক সংযোগ সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং সব সমস্যা সমাধান করা হয়েছে।
বিটিআরসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে চালু থাকা ১৮ কোটি ৮ লাখ সিমের মধ্যে গ্রামীণফোনেরই ৭ কোটি ৯৩ লাখ।