ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ স্বাস্থ্যকথা ]

শীতের সঙ্গে মনখারাপের কোনো সম্পর্ক আছে কি?

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:২৯, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪
শীতের সঙ্গে মনখারাপের কোনো সম্পর্ক আছে কি?
ছবি: সংগৃহীত

শীতের মধ্যে একটা বিষণ্ণতার বোধ কিন্তু লুকিয়ে রয়েছে। এই সময় যে ধরনের মনখারাপ, বিষণ্ণতাবোধ বা অবসাদ দেখা দেয়, তার আরো একটি গালভরা নাম আছে। তরুণ প্রজন্মের কাছে তা ‘উইন্টার ব্লুজ’ বলেই পরিচিত। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে ‘সিজন্যাল অ্যাফেক্টিভ ডিজঅর্ডার’ বা ‘স্যাড’ বলে।

মনোবিদেরা বলছেন, আপাতদৃষ্টিতে শীতকে রঙিন মনে হলেও এই ঋতুর প্রভাব অনেকের মনকে ধূসর করে তোলে। ভোরের কুয়াশা বা ধোঁয়াশার মতো কারণে-অকারণে মনের কোণেও মেঘ জমে। ঋতুকালীন মনখারাপের বিষয়টির জন্ম হয়েছিল মূলত শীতপ্রধান দেশে। সেখানে যখনই আলো কমে আসে, ঝিরঝিরে বৃষ্টি কিংবা তুষারপাত হয়, তখন মানুষের স্বাভাবিক কাজকর্মও ব্যাহত হয়। ভারী তুষারপাত হলে ঘরের বাইরে বেরোনোও বন্ধ হয়ে যায়। যে কারণে অবসাদ আসা স্বাভাবিক। আবার বহুদিন সূর্যের আলো না দেখলে মনখারাপ হতে পারে। এটা যে শুধুমাত্র শীতপ্রধান দেশে সীমাবদ্ধ, তা কিন্তু নয়। শীত পড়লে মনখারাপ বাড়ে আরো অনেক ভূগোলেই।

কীভাবে তা ঠেকিয়ে রাখা যায়?
১. শীতের মেঘলা দিনে ঘরের মধ্যে জবুথবু হয়ে বসে থাকলে মনখারাপের মাত্রা কিন্তু লাগামছাড়া হয়ে যেতে পারে। তাই অল্প সময়ের জন্য হলেও বারান্দা বা ছাদ থেকে ঘুরে আসা যায়। নিদেনপক্ষে জানলার ধারে বসেও কিছুটা সময় কাটানো যেতে পারে। দিনের আলোতে মন ভালো হয়ে যায়।

Advertisement

২. এই সময় শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা বিশেষ প্রয়োজন। ঠান্ডার সময়ে শরীরচর্চা করতে অনীহা বোধ করেন অনেকে। যে কারণে হরমোনের ক্ষরণ এবং কার্যকারিতা ব্যাহত হয়। হরমোনের হেরফেরেও কিন্তু মনখারাপের তীব্রতা বাড়তে পারে।

৩. সোশ্যাল মিডিয়ায় না থেকে সমাজবদ্ধ হয়ে থাকার চেষ্টা করুন। পরিবার, বন্ধু কিংবা প্রিয় মানুষের সঙ্গ মনখারাপকে কাছে ঘেঁষতে দেয় না। মনখারাপের ওষুধ হয়ে উঠতে পারে ‘টক থেরাপি’। ভরসা করে মনের কথা কাউকে বলতে না পারলে লিখেও রাখা যেতে পারে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/টিএএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!