ঘন ঘন হাঁচি, গলা খুসখুস করা, নাক দিয়ে পানি পড়া, কানে অস্বস্তি ইত্যাদি হতে পারে শীতকালীন অ্যালার্জির লক্ষণ। এ ছাড়া চোখে জ্বালা ভাব, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, জ্বর ও ত্বকে সংক্রমণ হলেও সতর্ক হতে হবে। অ্যালার্জি ঠেকাতে কোন নিয়মগুলো মেনে চলবেন?
১. আলমারি থেকে শীতের পোশাক বের করে ব্যবহার করার আগে উলের চাদর, সোয়েটার রোদে রাখা জরুরি। অ্যালার্জির সমস্যা যাদের রয়েছে, তাদের এ বিষয়ে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
.png)
২. বাড়ির ভিতর যতটা সম্ভব খোলামেলা রাখার চেষ্টা করুন। ঘরে রোদ ঢুকতে দিন। রোদ না ঢুকলে সমস্যায় পড়তে পারেন অ্যালার্জির রোগীরা। বাড়িতে রাখা কার্পেট, প্রাণীর লোম থেকে ও কিন্তু হতে পারে অ্যালার্জি। তাই ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখার ক্ষেত্রে আরও বেশি করে সতর্ক থাকতে হবে।
৩. বাড়িতে যেন কীটপতঙ্গ বা পোকামাকড়ের উপদ্রব না বাড়ে, সে দিকে লক্ষ রাখুন। রান্নাঘর এবং শৌচালয়ের পাইপে ছিদ্র থাকলে তা মেরামত করুন। পোকামাকড়ের উপদ্রব বাড়লে ঘর সাফ করার ব্যবস্থা করুন।
৪. ঘরের প্রতিটি কোণ খুব ভালো করে পরিষ্কার করে রাখুন, যাতে ধুলো বালি না জমে। ধুলোতে অনেকেরই অ্যালার্জির সমস্যা বাড়ে। তাই ধুলোবালি থেকে সাবধান।
৫. রাস্তায় বেরোলে মাস্ক ব্যবহার করুন। অ্যালার্জির সমস্যা থেকে রেহাই পেতে মাস্ক মোক্ষম হাতিয়ার হতে পারে।