ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ স্বাস্থ্যকথা ]

১৫০০ কিডনি প্রতিস্থাপনের মাইলফলক স্পর্শ করলেন অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০০:৫৪, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩
১৫০০ কিডনি প্রতিস্থাপনের মাইলফলক স্পর্শ করলেন অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম
অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে ১৫০০ কিডনি প্রতিস্থাপনের মাইলফলক স্পর্শ করলেন স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম।  

বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে রাজধানীর শ্যামলী সিকেডি অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে কিডনি প্রতিস্থাপনের মধ্য দিয়ে এই মাইলফলক অর্জন করেন তিনি। 

এর আগে, নিজের পারিশ্রমিক ছাড়া এক হাজার কিডনি প্রতিস্থাপন করে দেশে-বিদেশে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন অধ্যাপক কামরুল ইসলাম। মানবিক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে দেশের সর্বোচ্চ সম্মান স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হন শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার এ সন্তান।  

Advertisement

অধ্যাপক ডা. কামরুল বলেন, আল্লাহর কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা আমি আমার ব্যক্তিগত জীবনে ১৫০০ কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন করতে পেরেছি। এই অর্জন আমার জন্য খুবই সম্মানের এবং গৌরবের। আল্লাহর কাছে এর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কখনো শেষ হবে না। দোয়া করবেন যেন আমৃত্যু এই কাজটি করে যেতে পারি।

জানা গেছে, কিডনি প্রতিস্থাপনে অন্যান্য বেসরকারি হাসপাতালে তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হলেও গত এক যুগ ধরে দুই লাখের আশপাশেই ছিল অধ্যাপক কামরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত সিকেডি অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালের কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যয়। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে ১৫শ প্রতিস্থাপনের একটিতেও তিনি ব্যক্তিগত কোনো পারিশ্রমিক নেননি। এমনকি প্রতিস্থাপন পরবর্তী ফলোআপ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষায়ও আমৃত্যু রোগীর কাছে নেন না কোনো ফি।

সিকেডি অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রতিস্থাপনের পর এক বছর কিডনি সচল থাকার হার ৯৪ শতাংশ। তিন বছর পর্যন্ত ৮৪ শতাংশ, পাঁচ বছর পর্যন্ত ৭২ শতাংশ এবং ১০ বছর পর্যন্ত কিডনি সচল বা সুস্থ থাকার হার ৫০ শতাংশ। তরুণদের কিডনি দানের হার বেশি হলে গ্রহীতারা আরো দীর্ঘ সময় সুস্থ থাকতে পারতো।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!