ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

[ স্বাস্থ্যকথা ]

পাল্‌স অক্সিমিটার ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি জানুন

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:২০, ৩০ এপ্রিল ২০২১
পাল্‌স অক্সিমিটার ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি জানুন
পাল্‌স অক্সিমিটার ব্যবহারের নিয়ম। ছবি: সংগৃহীত

অতিমারীর দুঃস্বপ্নের দিনে কালোবাজারি শুরু হয়েছে অক্সিজেন নিয়ে। দাম তিন থেকে চারগুণ বেড়েছে পালস অক্সিমিটারেরও। এই যন্ত্রটি শরীরের অক্সিজেন স্যাচুরেশন মাত্রা মাপতে কাজে লাগে তা মোটামুটি সবাই জানেন এখন। এই পাল্‌স অক্সিমিটারে আপনার আঙুল রাখলে কিছুক্ষণের মধ্যে দু'টো সংখ্যা দেখা যাবে। একটা এসপিওটু- মানে আপনার শরীরের অক্সিজেন সম্পৃক্ততা। দ্বিতীয়টা আপনার পাল্‌স রেট।

শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা নিয়ে আমরা সকলেই এখন চিন্তিত। কীভাবে বুঝবেন যে আপনার যন্ত্রটি কাজ করছে? একজন মানুষের শরীরে স্বাভাবিক অবস্থায় অক্সিজেনের মাত্রা থাকে ৯৫ থেকে ১০০-এর মধ্যে। যদি দেখেন পাল্‌স অক্সিমিটারের ফল অনুযায়ী, আপনার শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা তারও নীচে, তাহলে কী করবেন? চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সে সম্পর্কে- 

>> অক্সিজেন সম্পৃক্ততা ৯৪-এর নীচে নেমে গেলে চিন্তার বিষয়। এর মানে হয়ত আপনার নিউমোনিয়া হয়েছে এবং সংক্রমণ ফুসফুসে পৌঁছে গিয়েছে। সেক্ষেত্রে পেটের ওপর ভর দিয়ে শুতে পারেন। পাল্স অক্সিমিটার আবার মেপে দেখুন। হয়ত অক্সিজেনের মাত্রা বাড়তেও পারে।

>> প্রথমেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়বেন না। কিছুক্ষণ একটু স্থির হয়ে থাকুন। ৩০ সেকেন্ড পর আবার পাল্‌স অক্সিমিটার ব্যবহার করুন।

>> যদি দেখেন দ্বিতীয়বারও আপনার অক্সিজেন সম্পৃক্ততা কম আসছে, তাহলে যন্ত্রটি আঙুল থেকে খুলে অন্য একজনের উপর ব্যবহার করুন।

>> যদি তার শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিক দেখায়, তাহলে বুঝতে হবে, যন্ত্রটি ঠিক আছে। আপনার শরীরেই সমস্যা।

>> তৃতীয় জিনিস যেটা মাথায় রাখতে হবে, সেটা হলো যে আঙুলে আপনি যন্ত্রটি ব্যবহার করছেন, তাতে কোনো নেলপলিশ, মেহেদি বা ট্যাটু থাকা যাবে না। অনেক সময় এগুলোর কারণেও ভুল সংখ্যা দেখায়।

>> যদি এমন হয় যে, জ্বরের কারণে আপনার কাঁপুনি হচ্ছে, আর আপনি হাত স্থির রাখতে পারছেন না, তাহলেও অনেক সময় যন্ত্র কাজ করে না ঠিক করে। চলাফেরা করতে রিডিং নেবেন না।

>> যদি দেখেন আপনার শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কম, তাহলে একবার হেঁটে নিন। তারপর দেখুন শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমছে না বাড়ছে। যদি দেখেন কমছে, তাহলে বুঝতে হবে, যন্ত্র অকেজো।

>> বাড়ির লোকেরা যখন ঘুমাচ্ছে, তখন তাদের রিডিং নেবেন না। যাদের ঘুমের সমস্যা রয়েছে, তাদের স্বাভাবিকভাবেই ঘুমনোর সময় শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায়।

>> মনে রাখতে হবে অনেক ধরনের রোগের ক্ষেত্রেই শরীরের অক্সিজেনের মাত্রা কম থাকতে পারে। যেমন হাঁপানি রোগী, কিংবা যারা টানা ধুমপান করেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!