এখন অবশ্য কলকাতার অলিতে গলিতেও বড়া পাও পাওয়া যায়। বহু কলকাতাবাসী এই বড়া পাও খুব পছন্দ করেন। বর্তমানে বড়া পাও ভারতের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশের একাধিক নামিদামি রেস্তোরাঁয় নিজের পাকাপোক্ত জায়গা করে নিয়েছে। ফুড ট্র্যাভেল গাইড টেস্ট আটলাসের বিশ্বের সেরা ১০০টি স্যান্ডউইচের তালিকায় ১৩ নম্বরে রয়েছে বড়া পাও-এর স্থান।
এই জনপ্রিয় খাবারটির স্রষ্টা অশোক বৈদ্য নামে এক ব্যক্তি। তিনি দাদার ট্রেন স্টেশনের কাছে রাস্তার ধারে খাবার বিক্রি করতেন। ১৯৬০-৭০ সালে তার মনে হয় শ্রমিকদের পেট ভরানোর জন্য এমন কিছু খাবার তৈরি করতে হবে যা খুব তাড়াতাড়ি তৈরি করে ফেলা যায় এবং খাবারটির দামও যেন খুব বেশি যেন না হয়। এই সব ভেবেই অশোক বানিয়ে ফেললেন বড়া পাও।
.png)
বর্তমানে ভারতের প্রায় প্রতিটি রাজ্যের ক্যাফেতে এই খাবার পাওয়া যায়। নেটিজেনরা আজকের এই দিনটিকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। বড়া পাও নিয়ে তাদের ভালবাসা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মজার তথ্য, শুভেচ্ছা বার্তা এবং ছবি শেয়ার করেছেন।