শুধু এয়ার কন্ডিশনার নয়, গরম থেকে বাঁচাতে ভগবানের শরীরের কাপড়ের দিকেও নজর দেওয়া হয়েছে- সেজন্য বিগ্রহকে পড়ানো হয়েছে হালকা ধরনের পোশাক। তবে কানপুর শহরে এমন ঘটনা এটাই নতুন নয়- এর আগের বছরও এমন ঘটনার খবর পাওয়া গিয়েছিল আরেকটি মন্দিরে।
কানপুরের সিদ্ধি বিনায়ক গণেশ মন্দিরের পুজারি সুরজিত কুমার দুবে মন্দিরে বিগ্রহের ঘরে এসি লাগানো বিষয়ে আরো ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ভগবানকে মানুষের মতোই মনে করেন। তাই এসির ব্যবস্থা করেছেন।
.png)
মন্দিরের পুজারি দুবের কথা হচ্ছে, ভগবানেরও গরম লাগে, তিনিও মানুষেরই মতো, এজন্যই এয়ার কুলারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মন্দিরে ভগবানের ঠাণ্ডা-গরম লাগা নিয়ে খবর আরো আছে- অযোধ্যায় যে বছর অসহনীয় ঠাণ্ডা পড়েছিল সেবার সেখানকার এক মন্দিরে বিগ্রহ ঘরে হিটার লাগানো হয়েছিল যাতে ‘ভগবানের ঠাণ্ডা’ না লাগে। মন্দিরের কর্তারা এখানেই থেমে থাকেনি। তারা দেবমূর্তির গায়ে পশমী কাপড়ও চড়িয়েছিল।