উড়োজাহাজটি ৩৬ হাজার ফুট উপরে থাকা অবস্থায় হঠাৎ তার প্রসববেদনা শুরু হয়। ঐ ফ্লাইটে দুটি ফুটবল দল ভ্রমণ করছিল, দুটি দলের সঙ্গেই নিজস্ব চিকিৎসক ছিল। তাদের নির্দেশনায় উড়োজাহাজে থাকা অন্য একজন যাত্রী নিরাপদে মায়ের গর্ভ থেকে কন্যাশিশু ভূমিষ্ঠ করেন।
প্রাথমিকভাবে উড়োজাহাজে থাকা চিকিৎসকরা শিশুটির নাড়ি না কাটার পরামর্শ দেন। অবতরণের পর যথাযথ চিকিৎসকের সহযোগিতা নিয়ে শিশুটির নাড়ি কাটা হয়।
.png)
জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাদেশি ঐ নারীকে বহনকারী উড়োজাহাজটি কন্ট্রোল টাওয়ারে সন্তান প্রসবের বিষয়টি জানায়। পরে দ্রুত অবতরণের জন্য উড়োজাহাজটিকে বিমানবন্দরের সবচেয়ে কাছের টার্মিনাল ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ মা ও সদ্যোজাত সন্তানের চিকিৎসায় নারী চিকিৎসকসহ যথাযথ ব্যবস্থাও গ্রহণ করে।
মা ও নবজাতক দুজনই সুস্থ আছেন। বিমানবন্দরে অবতরণের পর জরুরি ভিত্তিতে কাছাকাছি একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাদের। পরে সেখান থেকে দুজনকে কিং আবদুল্লাহ মেডিকেল কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
সূত্র: গালফ নিউজ