ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ বিনোদন ]

ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ, যা বলছেন তারকারা

তারেক মোহাম্মদ
প্রকাশিত: ১৭:২৪, ২৮ মে ২০২৪
ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ, যা বলছেন তারকারা
ফাইল ছবি

ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন দেশের উপকূলবর্তী মানুষজন। তাদের বেদনায় ব্যথিত সাধারণ মানুষ। তারকারাও তার বাইরে নন। ডেইলি বাংলাদেশের কাছে নিজেদের অনুভূতি জানিয়েছেন বিনোদন জগতের কয়েকজন প্রিয়মুখ।

অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ বরাবরই প্রকৃতি নিয়ে ভাবেন। তিনি প্রাকৃতিক দুর্যোগে নিজের অবস্থান থেকে ব্যথিত। নওশাবা ভারাক্রান্ত গলায় বলেন, আমার মেয়ে গতকাল স্কুল বাসে করে স্কুলে গিয়েছিল। তখন টেনশন করছিলাম ঠিকঠাক বাসায় ফিরতে পারবে কিনা। পরবর্তীতে যারা দুর্যোগের কবলে পড়েছে তাদের কথা ভেবে লজ্জাই পাচ্ছিলাম। তাদের মাথার ছাদ নেই, বাচ্চাদের বই-খাতা ভেসে যাচ্ছে। তাদের কেমন লাগছিলো? এতগুলো প্রাণী মারা গেলো! প্রাকৃতিক দুর্যোগ এলে বলি গাছ লাগাতে হবে। প্রকৃতিকে তোয়াক্কা না করেই গাছ কেটে দালান বানাই। টাকা জমিয়ে ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধ করার নেশায় পড়ি। অথচ পৃথিবীর বীমার খবর নিই না। ভূমিকম্প এলে বাড়ি– গাড়ি কিছুই তো থাকবে না। আমরা কলকারখানা গড়ি বন উজাড় করে। যার প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সাধারণ মানুষ। দূষণের ভুক্তভোগী ওরা। স্ট্যাটাস দিয়েও লজ্জা লাগছে। জলোচ্ছ্বাসে মেয়েরা দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। বিশেষ করে যারা গর্ভবতী। আমরা বারবার ভুলে যাই প্রকৃতি মানুষের তুলনায় হাজারগুণ শক্তিশালী।

অভিনেতা শাহেদ আলী গতকাল ছিলেন শুটিংয়ে। সেখানে থেকে তিনি উপকূলের মানুষজনের কষ্টের কথা উপলব্ধির চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেন, আমি খোলা জায়গায় শুটিং করছিলাম। সেখানে প্রচন্ড বাতাস বইছিল। তখন ভাবছিলাম নদী তীরবর্তী মানুষজন ও পশু– পাখির কতই না কষ্ট হচ্ছে। এমন দুর্যোগে তারাই বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। আমাদের যতোটা সম্ভব তাদের পাশে থাকা উচিত। তাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়া প্রয়োজন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন পোস্ট চোখে পড়েছে যা দেখে মনে হয়েছে কোনটি সেলিব্রেট করবো আর কোনটি ব্যথিত হবো সে বোধ আমাদের নেই। আমাদের দুর্যোগ মোকাবিলার মানসিকতার অভাব। যার যার জায়গা থেকে তাদের পাশে থাকা ভীষণ জরুরি।

Advertisement

চিত্রনায়িকা আইরিন সুলতানার মতে পর্যাপ্ত পূর্ব প্রস্তুতির প্রয়োজন ছিলো। তিনি বলেন, এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। প্রতিহত করার জন্য আরো ব্যবস্থা নেয়া যেত। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে বলে প্রত্যাশা করছি। সবমিলিয়ে মনে হচ্ছে পর্যাপ্ত পূর্ব প্রস্তুতির অভাবে প্রতিবার এ ধরনের দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়। যা থাকলে ক্ষতির পরিমাণ কমতো।

ডেইলি-বাংলাদেশ/টিএএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!