বৃহস্পতিবার রাতে ডিপজল বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনের বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলেছেন শিল্পী সমিতির এবারের নির্বাচন কমিশনার অভিনেতা ও প্রযোজক খরসেদ আলম খসরু।
নির্বাচন কমিশনার খসরু বলেন, সাদিয়া মির্জা নামে ঐ প্রার্থীর অভিযোগ আমলে নিয়ে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ডিপজলকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর চিঠি দিয়েছি। সঠিক কারণ দর্শাতে না পারলে ডিপজলের প্রার্থিতা বাতিল বলে গণ্য হবে।
.png)
এ নিয়ে মিশা-ডিপজল প্যানেলের চিত্রনায়ক আলেকজান্ডার বোকে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, একটি পক্ষ নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করবে। তবে আমরা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন। এমন অভিযোগ আমরা অন্য প্যানেল থেকেও পেয়েছি, কিন্তু তাতে আমরা গুরুত্ব দেয়নি।
তিনি আরো বলেন, ডিপজল ভাই এমনিতেই দানবীর। সবাইকে টাকা-পয়সা দান করে থাকেন। এটা নিয়ে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করলে বিষয়টি সুখকর হবে না।
এদিকে অর্থ লেনদেনের অভিযোগের চিঠিতে নির্বাচন কমিশনে জবাব দিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মনোয়ার হোসেন ডিপজল।
বিষয়টি প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, এ বিষয় তিনি জড়িত না বলে জানিয়েছেন। নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা , শত্রুতা করে তারা এসব বলেছেন, এমনটা আমাদের জানিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন তাকে ফিরতি চিঠিতে জানিয়েছে, সাদিয়া মির্জার যে অভিযোগ সেটি আমলে নিয়ে তদন্তে সত্য প্রমাণিত হলে আপনার বিরুদ্ধে নির্বাচন আচরণ বিধি লঙ্ঘনের ধারা প্রযোজ্য হবে।
এই নির্বাচনে ৬ জন স্বতন্ত্রসহ ২টি প্যানেল থেকে ৪৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। একটি মিশা-ডিপজল পরিষদ, অন্যটি কলি-নিপুণ পরিষদ। এর মধ্যে সভাপতি পদে লড়ছেন একসময়ের জনপ্রিয় নায়ক মাহমুদ কলি ও দাপুটে খল-অভিনেতা মিশা সওদাগর। আর সাধারণ সম্পাদক পদে গেলো আসরের মতো এবারো প্রার্থী হয়েছেন চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তার। তার বিপরীতে দাঁড়িয়েছেন চলচ্চিত্রের মুভি লর্ড ও দানবীর খ্যাত অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল।