ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাব্বির হোসেন জানান, সন্ধ্যার পর হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খবর পেয়ে হোটেলের দ্বিতীয় তলার ২১০ নম্বর কক্ষ থেকে ওই নারীর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। জানালার গ্রিলের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছিলেন তিনি।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
.png)
তিনি আরো জানান, সামিয়া রহমান উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ২ নম্বর রোডে স্বামী তানিমের সঙ্গে থাকতেন। তার বাবা চলচ্চিত্র পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান। পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তিনি।
রোববার দুপুরে যাত্রাবাড়ীর ওই আবাসিক হোটেলে ওঠেন। হোটেল কর্তৃপক্ষ ইফতার নিয়ে ওই কক্ষের দরজা নক করেন। তবে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পরবর্তীতে থানায় খবর দেয়। এরপর সেখানে গিয়ে রুমের দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় একটি অপ-মৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি। যদি পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা না করা হয় তাহলে অপ-মৃত্যুর মামলা দায়ের করা হবে।
এদিকে সামিয়া রহমানের সুরতহাল প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, সামিয়া রহমানের মাথা ও কপাল স্বাভাবিক অবস্থায় দেখা যায়। কপালে পুরোনো কাটা দাগ রয়েছে সামিয়া রহমানের মরদেহের। মুখমণ্ডল স্বাভাবিক থাকলেও চোখ অর্ধখোলা। দুই ঠোঁটের মাঝখানে জিব অর্ধকামড় অবস্থা দেখা যায়। গলায় অর্ধচন্দ্রাকার কালো দাগ দেখা যায়। ওড়না দিয়ে ফাঁস নেওয়াতে এই কালো দাগ সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া কাঁধ স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল। দুই হাত ছিল লম্বালম্বি অবস্থায় আর হাতের আঙুল অর্ধমুষ্ঠি অবস্থায় ছিল।