বর্তমান ব্যস্ততা প্রসঙ্গে সূচনা বললেন, সম্প্রতি ইউএনডিপি– তে ন্যাশনাল কনসালটেন্ট হিসেবে যোগ দিয়েছি। রাঁধুনীর বিজ্ঞাপনচিত্র করেছি। রোজায় প্রচার হবে। দেশী দশ ও প্রাণের ফটোশুট করেছি। ‘জয় বাংলা’ কনসার্টে সঞ্চালনা করেছি। ব্যাপক সাড়া মিলেছে।
সূচনা আরও যোগ করলেন, আমার মূল ব্যস্ততা স্টেজে। বাংলাভিশনে যাচ্ছে ‘দিন প্রতিদিন’। এ ছাড়া বিএসএমএমইউতে পড়ছি পেডিয়াট্রিক নিউরো-ডিজঅর্ডার অ্যান্ড অটিজম নিয়ে। এভাবেই দিন কেটে যাচ্ছে।
.png)
রমজানে সূচনা ইচ্ছা করেই কম কাজ করছেন। নিজেকে বিশ্রাম দিচ্ছেন। তারপরও ব্যস্ততা তার কম নয়। ইফতার ও সেহরি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বললেন, ইফতারে কিছু বানানো হয় না। যখন যা পাই খেয়ে নিই। বাড়িতে থাকলে আম্মুই সব বানায়। ইফতারে ফল খাওয়া হয়। ব্যস্ততার জন্য ইফতার পার্টিতে তেমন যাওয়া হয় না।
সূচনা যোগ করলেন, সেহরিতে আমার পছন্দ মাছ–ভাত–ডাল। ঘরেই সেহরি খাওয়া হয়। সেহরি নাইট পার্টিতে যাই না।
সবশেষে ঈদের পরিকল্পনা নিয়ে সূচনার ভাষ্য, ঈদ নওগাঁতে কাটাব। আব্বু, আম্মু ও বোনের সঙ্গে। আমি, ছোট বোন ও আম্মু একই রকম পোশাক পরে ঈদ করি। অন্তত আমাদের দুই বোনের পোশাক একরকম হতেই হবে। এবার ঈদের পোশাক কেনা শেষ। কালো ও লাল কম্বিনেশনের পোশাক। ঈদে উপহার দিতে ভালো লাগে। আবার পেতেও ভালো লাগে। ভক্তরাও উপহার পাঠায়। এখনও সালামি পাই। বাবার কাছে একটি বেশি নোটের জন্য বলতে থাকি। নিজেও সালামি দিই।