বঙ্গবাণী নামক এক কলেজে সাতজন তরুণ পড়ত, মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তারা যোগ দেয় যুদ্ধে এবং যুদ্ধ শেষে তাদের জীবন আর আগের মত থাকে না। দেখা যায় যে যুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও তাদের কাছে রয়েছে অস্ত্র-বন্দুক। তবে অস্ত্রকে তারা কোনো ঋণাত্মক কাজে ব্যবহার করে না। তারা সমাজের কোনো জায়গায় অন্যায়/দুর্নীতি দেখলে সেটা প্রতিরোধ করার চেষ্টা করে। তরুণরা স্বাধীন দেশেও তাদের এক প্রকারের যুদ্ধ চালায়।
বঙ্গবাণী কলেজের অধ্যক্ষ একজন অত্যন্ত আদর্শবান মানুষ, ঐ সাত তরুণ তাকে অনেক সম্মান করে। ঐ সাত তরুণের নাম হচ্ছে- হিরে, চুন্নি, পান্না, সোনা, রতন, কাঞ্চন আর মানিক।
.png)
তখনকার সাধারণ মানুষদের ভোগান্তি যেমন দোকানে বেশি দামে কোনো জিনিস বিক্রি করা, কিংবা মানুষের প্রতি অবিচার দেখলে এই সাত তরুণ ক্ষেপে যেত এবং দোকানদারদের অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখিয়ে তাদের একবার বন্দুক দিয়ে পেটায় সোনা, হিরে আর কাঞ্চন। মানিকের প্রেমিকা নীলা একবার এ ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞেস করে কিন্তু মানিক হতাশার সহিত উত্তর দেয় এবং তার এহেন কর্মকাণ্ডের পক্ষে সাফাই গায়।
চলচ্চিত্রটির কাহিনি মূলত সাত তরুণের সমাজে চলা অসততা দমন করা নিয়েই তবে একদা একবার কলেজের পরীক্ষার সময়ে পরীক্ষার হলে নকল করা হচ্ছিল, যেখানে মানিক নিজেও নকলে অংশ নেয় এবং অধ্যক্ষের কাছে ধরা খেয়ে কলেজ থেকে বহিষ্কৃত হয়। পরবর্তীতে সাত তরুণই সমাজকে তাদের আদর্শ অনুযায়ী ঠিক করতে না পেরে ব্যক্তিগত হতাশা থেকে অপকর্মে জড়িয়ে যায়।
লেখা: সাইফুল হকের ফেসবুক পোস্ট থেকে