এসময় নুসরাত বলেন, গতকাল গভীর রাতে বাড়ি ফেরায় কথা বলতে পারেননি। যে সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলাম, তাদের থেকেই ১ কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার ২৮৫ টাকার ঋণ নিয়েছিলাম। সেই টাকায় বাড়ি কিনেছি। ২০১৭ সালের ৬ মে সুদ-সহ ১ কোটি ৪০ লাখ ৭১ হাজার ৯৯৫ টাকা ফেরত দিয়েছি কোম্পানিকে। ব্যাংকের নথিও আমার কাছে আছে। ৩০০ শতাংশ চ্যালেঞ্জ করতে পারি, আমি দুর্নীতিতে যুক্ত নই। আমি এক পয়সা নিলেও এখানে আসতাম না।
এর আগে নুসরাতের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালে একটি সংস্থার নামে এই অভিনেত্রী ৪২৯ জনের কাছ থেকে ৫ লাখ ৫৫ হাজার রুপি করে প্রায় ২৪ কোটি রুপি নিয়েছেন, বাংলাদেশি টাকায় যা ৩১ কোটি টাকার বেশি। এই টাকায় জমি কিনে সেখানে নির্মাণ করা হবে ফ্ল্যাট।
.png)
মঙ্গলবার শুভেন্দু অধিকারী একটি সংস্থার নাম জানিয়ে বলেছিলেন সেই সংস্থার নামেই দুর্নীতি করেছিলেন বসিরহাটের সাংসদ নুসরাত।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তৃণমূল মুখপাত্র বলেন, দলের তরফে নুসরাতকে সতর্ক করা হলেও কাজ হয়নি। তিনি নিজের মর্জির মালিক। তাছাড়া নুসরাত এমন কোনো বড় মাপের নেত্রী নন যে দলকে তার পাশে দাঁড়াতে হবে। আবাসন দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে আপাতত নুসরতের পাশে নেই দল। নুসরাত যা করেছেন তা ব্যক্তিগতভাবে। যখন দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল তখন নুসরাতের সঙ্গে তৃণমূলের তেমন কোনো যোগ ছিল না।
দল বা নিজের কেন্দ্রে তেমন সময় না দেওয়ার জন্য আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে নুসরাতের টিকিট পাওয়ার সম্ভবনাও নেই। তবে শেষ কথা দলনেত্রী বলবে। তিনি যেমন নির্দেশ দেবেন দলের তরফে তেমনি ঘোষণা আসবে।