এসময় শিক্ষার্থীরা 'আজকের এই দিনে, ফেলানী তোমায় মনে পড়ে; ফেলানীর রক্ত, বৃথা যেতে দিব না; দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা; আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ; আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন; ভারতীয় আগ্রাসন, বন্ধ করো করতে হবে; দিয়েছিতো রক্ত, আরো দিব রক্ত'সহ বিভিন্ন স্লোগান দেয়।
সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, ২০১১ সালে ভারতীয় বাহিনী ফেলানীকে হত্যা করে কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রেখেছিল। আবরার ফাহাদ ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে জীবন দিয়েছে। ভারত এখনো সীমান্ত হত্যা বন্ধ করেনি। ভারত সবসময় প্রতিবেশীদের সঙ্গে আধিপত্যবাদী মনোভাব নিয়ে চলে। সেদিন ভারত ফেলানীর লাশ ঝুলিয়ে রাখেনি, তারা বাংলাদেশের মানচিত্রকে কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রেখেছিল। আমরা ফেলানী হত্যাসহ সব সীমান্ত হত্যার বিচার চাই।
.png)
এসময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক এস এম সুইট বলেন, জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের পর ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক হবে চোখে চোখ রেখে। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আহ্বান থাকবে ভারতের সঙ্গে যেন ন্যায্যতার ভিত্তিতে সম্পর্ক তৈরি করে। আর অতিদ্রুত ফেলানি হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার করতে হবে। আর সবসময় ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাঁধে কাঁধ রেখে কাজ করে যাবে।'
প্রসঙ্গত, কুড়িগ্রামের অনন্তপুর-দিনহাটা ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী ফেলানী খাতুনকে গুলি করে হত্যা করে। বিএসএফ ১৮১ ব্যাটালিয়নের চৌধুরী হাট ক্যাম্পের জওয়ানদের এই ঘটনার জন্য দায়ী করা হয়। ফেলানীর লাশ পাঁচ ঘণ্টা কাঁটাতারে ঝুলে ছিল।