শনিবার (৪ জানুয়ারি) ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের উভয় গেইটে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।
এসময় ভবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ এবং প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। রোববার উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনার আশ্বাসে প্রায় দেড় ঘণ্টা পর তালা খুলে দেন শিক্ষার্থীরা।
.png)
এ সময় শিক্ষার্থীরা ইবির স্বতন্ত্রতা, রক্ষা করো করতে হবে; জবি যখন স্বাধীন, ইবি কেনো পরাধীন; সাস্ট যখন স্বাধীন, ইবি কেনো পরাধীন; খুবি যখন স্বাধীন, ইবি কেনো পরাধীন; জেগেছে রে জেগেছে, ইবিয়ানরা জেগেছে; জবি, খুবি বাহিরে, আমরা কেনো গুচ্ছে; সাস্ট গেছে যেই পথে, ইবি যাবে সেই পথে; খুবি গেছে যেই পথে, ইবি যাবে সেই পথে ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।
শিক্ষার্থীরা বলেন, স্বাধীনতাত্তর বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় এটি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে। গুচ্ছ প্রক্রিয়ায় ভর্তি নেয়ার ফলে দীর্ঘ সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে আমাদের। আমরা এরই মধ্যে দেখেছি জগন্নাথ, খুলনা এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ থেকে বেরিয়ে গেছে। আমরা চাই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় তার নিজস্ব প্রক্রিয়ায় ভর্তি নেয়ার মাধ্যমে তার স্বকীয়তা বজায় রাখবে। আমরা আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন বন্ধ করব না।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী বলেন, উপাচার্য মহোদয় এখন ক্যাম্পাসে নেই। তিনি আজকে আসবেন এবং আগামীকাল বিকেল ৩টায় ছাত্র প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নিব।