শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে এই আল্টিমেটাম দেন বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক মাহিন সরকার বলেন, উপাচার্য স্যার শুধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি। তাকে অপমান করার মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীদের অপমান করা হয়েছে। বর্তমান প্রশাসন ডাকসু নির্বাচনের পক্ষে কথা বলার পর থেকেই ছাত্রদল এবং অন্য যারা ষড়যন্ত্রকারী আছে তারা কথা বলা শুরু করেছে।
.png)
তিনি আরো বলেন, অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে উপাচার্য স্যারকে মেরুদণ্ড সোজা রেখে ডাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে। তার সময়সীমা মাত্র ৭২ ঘণ্টা। যদি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে রোডম্যাপ ঘোষণা না হয় তাহলে কঠোর থেকে কঠোরতর কর্মসূচিতে যাবো আমরা।
আরেক সমন্বয়ক তাহমিদ আল মুদাসসির চৌধুরী বলেন, ছাত্রলীগের আমলে পাতানো নির্বাচনের পরেও শিক্ষার্থীরা গণরুম-গেস্টরুম থেকে সাময়িক স্বস্তি পেয়েছিল। শিক্ষার্থীরা সাময়িকভাবে হলেও গণতন্ত্রের স্বাদ পেয়েছিল। আমরা যখন বাংলাদেশ থেকে ফ্যাসিবাদ বিদায় করেছি তখন অন্য একদল আমাদেরকে সেই গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করছে, বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করছে আবার সেই গণরুম-গেস্ট রুম ফিরিয়ে আনার জন্য।
এ সময় তারা ‘এক দুই তিন চার, ডাকসু আমার অধিকার’, ‘টেম্পু না ডাকসু, ডাকসু ডাকসু’, ‘কবরস্থান না ডাকসু, ডাকসু ডাকসু’, ‘চাঁদাবাজ না ডাকসু, ডাকসু ডাকসু’, ‘সন্ত্রাস না ডাকসু, ডাকসু ডাকসু’, ‘গেস্ট রুম না ডাকসু, ডাকসু ডাকসু’, ‘গণরুম না ডাকসু, ডাকসু ডাকসু’, ‘চাঁদাবাজের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’ সহ নানা স্লোগান দিতে থাকেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট মিটিংয়ে আওয়ামীপন্থী তিন সদস্যের নিমন্ত্রণ ও সিন্ডিকেটে ডাকসু নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান ও প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ খানের সঙ্গে ছাত্রদলের হট্টগোলের অভিযোগ ওঠে।