অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। এ সময় ডিনস কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবম সিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবির সমন্বয়ক এস এম সুইট, সিন্দাবাদ সাহিত্য সংসদের চেয়ারম্যান এইচ এম আবু মুসা ও পরিচালক আহসান তানিম সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ব্যতিক্রম সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংসদের সাবেক পরিচালক মাসুম বিল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন শহিদ সাব্বিরের পিতা আহমাদ আলী। সাংস্কৃতিক পরিবেশনা করেন জনপ্রিয় ইসলামিক শিল্পী মশিউর রহমান, ওবায়দুল্লাহ তারেক ও আবু তৈয়ব মেসবাহ। এসময় সঙ্গে ছিল ব্যতিক্রম সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংসদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। পরে নাট্য গবেষক ও নির্দেশক তারেক তাশাদের জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতি রোমন্থন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির লক্ষ্যে নির্মিত নাটক ‘লাল জুলাই’ মঞ্চস্থ করা হয়।
.png)
প্রতিযোগিতার অংশগ্রহণকারী প্রথম দশজনকে পুরস্কৃত করা হয়। এতে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোসাদ্দেক হোসেন এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন দাওয়া’হ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোজাম্মেল হক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, 'এই আন্দোলনের পেছনে রাজনৈতিক কোনো স্বার্থ ছিল না। এ আন্দোলনের পেছনে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বার্থ ছিল না। এই আন্দোলনে কোনো ব্যক্তিস্বার্থ, কোনো গোষ্ঠীস্বার্থ ছিল না। এ আন্দোলনের উদ্দেশ্য ছিল স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ হবে, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ হবে। সুন্দর বাংলাদেশ এবং অধিকার প্রাপ্তির বাংলাদেশ হবে। মানুষ তার অধিকার ফিরে পাবে এবং আমরা ভালোভাবে বাঁচব।’