সোমবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত দিনাজপুর সদর উপজেলার রামডুবির বেলবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই ক্যাম্পটি অনুষ্ঠিত হয়।
মেডিকেল ক্যাম্পটির উদ্বোধন করেন হাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এনামউল্যা। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম শিকদার, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহা, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. এমদাদুল হাসান এবং জনসংযোগ ও প্রকাশনা শাখার পরিচালক খাদেমুল ইসলাম। ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতাল পরিচালনা পর্ষদ এর পরিচালক মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ এর নির্দেশনায় ক্যাম্পটি বাস্তবায়ন করেন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সচিব (দায়িত্বপ্রাপ্ত) ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. হান্নান আলী।
.png)
উদ্বোধনকালে উপাচার্য বলেন, কৃষক খামারিরা আমাদের দেশের মূল চালিকাশক্তি। আমরা চিন্তা করলে দেখতে পাব যে আমাদের জীবনের ৮০ শতাংশ তাদের ওপর ডিপেনডেন্ট। তাদের কৃষি কাজ না হলে, গবাদি পশুর লালন পালন না, দুধ উৎপাদন নাহলে আমরা কোথায় যাব? আমাদের দেশটা সাহারা মরুভূমিতে পরিণত হবে। তাদের গুরুত্ব অনুধাবন করে ভবিষ্যৎ ডাক্তার আমাদের শিক্ষার্থীরা তাদের সেবা দিতে এসেছে এজন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তোমরা মানব সেবায় ব্রতী হয়ে একজন মানুষের ডাক্তারের মতো মনোভাব নিয়ে গবাদি পশুগুলোর চিকিৎসা করবে। এদের সেবায় তোমরা নিজেদেরকে উৎসর্গ করবে।
বক্তব্য শেষে অতিথিবৃন্দ এমন আয়োজনের জন্য ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতাল পরিচালনা পর্ষদকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
ক্যাম্পে আরো উপস্থিত ছিলেন পরিচালনা পর্ষদ এর সদস্য সচিব ডা. আব্দুল আজিজসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্স অনুষদের শেষ দুই বর্ষের শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীরা জানায়, এখানে আমাদের মূল লক্ষ্য হলো প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষকদের গবাদি পশুর চিকিৎসা সেবা প্রদান করা। আমরা অসুস্থ গবাদি পশুর চিকিৎসা করব, বিভিন্ন টিকা প্রদান করব, সেইসঙ্গে সুস্থ পশুগুলোকে কীভাবে রোগবলাই থেকে দূরে রাখা যায় এ বিষয়ে খামারিদের বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করব। এতে করে কৃষক খামারিরা উপকৃত হবেন, আমরা শিক্ষার্থীরা হাতে কলমে শিখতে পারব।
প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতাল ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্স অনুষদের ছাত্র-ছাত্রীদের চিকিৎসা বিষয়ক হাতে কলমে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি জনসাধারণের সব প্রকার গবাদি প্রাণীর সুচিকিৎসা প্রদান করে থাকে। এছাড়াও রয়েছে ভ্রাম্যমাণ ভেটেরিনারি ক্লিনিক যেটি সরাসরি মাঠে গিয়ে গ্রাম পর্যায়ে প্রান্তিক কৃষকের গবাদি প্রাণিগুলোকে আধুনিক চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকে।