সোমবার (২৮ অক্টোবর) বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনগুলোর সমস্যা নিরসনের জন্য টিএসসির পরিচালক বরাবর সংস্কার ভাবনায় তারা এসব দাবি জানান।
সংস্কার ভাবনায় তাদের দাবিগুলো: ঐকামঞ্চের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক বাজেট বরাদ্দ দিতে হবে; ক্যাম্পাসে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হলে ঐক্যমঞ্চকে বিবেচনায় নিয়ে উক্ত অনুষ্ঠান, টিএসসিসি সহবিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যেকোনো স্থানে কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন করার ক্ষেত্রে একটি আবেদনের প্রেক্ষিতেই সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে; কাফেটেরিয়া রাত পর্যন্ত সচল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে; খাবারের মান বৃদ্ধি ও সহজলভ্য করতে হবে; ঐকামঞ্চের অধিভুক্ত সব সংগঠনের জন্য চার্জ ফ্রি সহ ১১৬ নং কক্ষে পর্যাপ্ত চেয়ার, টেবিল, সাউন্ড সিস্টেম ও প্রয়োজনীয় অন্যানা সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করতে হবে; সংগঠনগুলোর ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত চার্জ কমাতে হবে; অডিটোরিয়ামের মধ্যের সাউন্ড সিস্টেম, মাল্টিমিডিয়া, চেয়ার, কার্পেট, এসি মেরামত করতে হবে; ক্যাম্পাস বন্ধের দিনেও টিএসসিতে অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য অনুমতি দিতে হবে; টিএসসিতে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে হবে; টিএসসিতে ওয়াশরুমগুলো উন্মুক্ত করতে হবে ও সবসময় পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা করতে হবে, টিএসসিসি এর নিচ ওলায় স্থাপিত লোহার গ্রিলগুলো অপসারণ করে উন্মুক্ত করতে হবে; টিএসসিতে কোনোরূপ ক্লাস কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না ও গোডাউন হিসেবে ব্যবহৃত কক্ষগুলো স্থানান্তর করতে হবে; টিএসসির অনুষ্ঠানে বিদেশি অতিথিদের অনলাইনে সংযুক্ত হওয়ার জন্য উপযুক্ত তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো ও অডিটোরিয়ামে একাধিক স্ক্রিনের ব্যবস্থা করতে হবে; অডিটরিয়মে LED স্থাপন ও টিএসসির সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য এর অভ্যন্তরে এবং চারিদিকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে বৃক্ষরোপণ এবং গোলটেবিলবিশিষ্ট বেঞ্চ স্থাপন করতে হবে।
.png)
এসময় উপস্থিত ছিলেন টিএসসির পরিচালক অধ্যাপক ড. জাকির হোসেন।
আরো উপস্থিত ছিলেন ঐক্যমঞ্চের আহ্বায়ক ইয়াসিরুল কবির সৌরভ ও নাহিদুর রহমানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা।
উত্থাপিত দাবিগুলো বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির পরিচালক অধ্যাপক ড. জাকির হোসেন বলেন, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির নানা সমস্যায় জর্জরিত। এসব সমস্যা সমাধানে ধারাবাহিকভাবে কাজ করতে হবে। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাদের যেসব সংস্কার ভাবনা জানিয়েছে এগুলো যত দ্রুত সম্ভব বাস্তবায়ন করব। আমরা এরই মধ্যে টিএসসিতে ওয়াইফাই উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যে টিএসসি শিক্ষার্থীদের জন্য সংস্কৃতি চর্চার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।