ভুক্তভোগী ছাত্রলীগ নেতা হলেন, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আলিম। তিনি ইবির বাংলা বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
জানা যায়, বাংলা বিভাগের ২০১৮-২০ শিক্ষাবর্ষের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা চলছিল। সে বিভাগের শিক্ষকদের না জানিয়ে পরীক্ষা দিতে আসেন। পরীক্ষার হলে শিক্ষক তাকে দেখে তার খাতা নিয়ে নেয়। পরীক্ষার শেষ হওয়ার আগেই আসার খবর পেয়ে বিভাগের সামনে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। পরে শিক্ষকরা তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়িতে করে বের করে দেওয়ার সময় তাকে মারধরের চেষ্টা করে। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা তাদের মব জাস্টিস থেকে উদ্ধার করে। পরে প্রক্টরের উপস্থিতিতে তাকে ইবি থানা পুলিশের হেফাজতে সোপর্দ করা হয়।
শিক্ষার্থীরা তার বিরুদ্ধে সিট বাণিজ্যসহ নানা অভিযোগ আনে।
.png)
এ প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী ছাত্রলীগ নেতা আলিম জানান, নিজ উদ্যোগে পরীক্ষা দিতে এসেছি। ভেবেছিলাম, দেরিতে এসে পরীক্ষায় এটেন্ড করে পাশমার্ক তুলে আগে আগে চলে যাব। কিন্তু বুঝতে পারিনি বিষয়টা এতদূর গড়াবে। আমার ওপর যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে, তার সঙ্গে আমার বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা নেয়। যদি কেউ প্রমাণ করতে পারেন, তাহলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তি মাথা পেতে নেব।
এ বিষয়ে প্রক্টর শাহীনুজ্জামান বলেন, আমরা ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে উপস্থিত হই। পরে প্রক্টরিয়াল বডি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় সোপর্দ করে৷ তার বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।